Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ
এনডিটিভির বিশ্লেষণ

কেরালায় কংগ্রেসের যে ভোট ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৯: ২৮
কেরালায় কংগ্রেসের যে ভোট ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’

কেরালা রাজ্যে টানা দশ বছর ক্ষমতায় থাকার পর পিনারাই বিজয়ন প্রশাসন বিরোধী চাপে পিষ্ট হচ্ছিল। কংগ্রেসের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল কেবল বড় কোনো ভুল করা থেকে বিরত থাকা। গত বছরের ডিসেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় জয় কংগ্রেসকে ইঙ্গিত দিয়েছিল, এক দশকের বিরতি কাটিয়ে তারা ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে।

Advertisement

এই জয় দলের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ জোগালেও শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা ছিল যে, ক্ষমতার খুব কাছে পৌঁছে নেতারা আবার নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়বেন না তো? ঠিক পাঁচ বছর আগে কেরালায় এই অভ্যন্তরীণ কোন্দলই রাহুল গান্ধীর সমস্ত পরিশ্রম ব্যর্থ করে দিয়েছিল।

এইবার কংগ্রেস হাইকমান্ড অত্যন্ত সতর্ক ছিল। দলের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন এবং চ্যালেঞ্জ ছিল একতা।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন ও কৌশল নির্ধারণ

প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুরকে দিয়ে। বছরের শুরুতে থারুরকে নিয়ে নানা কাহিনি ছিল। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে থারুরের সঙ্গে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন এবং তাদের মধ্যে মান-অভিমান দূর করেন। পরবর্তীতে তাকে নির্বাচনী প্রচার কমিটির সহ-আহ্বায়ক নিযুক্ত করা হয় এবং তিনি রাজ্যজুড়ে ব্যাপক প্রচার চালান।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

টিকিট বণ্টনের জন্য হাইকমান্ড তাদের বিশ্বস্ত নেতা মধুসূদন মিস্ত্রিকে কেরালায় পাঠায়। মিস্ত্রি তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রার্থী বাছাই করেন। কংগ্রেসের কাছে খবর ছিল, মানুষ সরকার পরিবর্তন চাইলেও বামফ্রন্টের বর্তমান বিধায়কদের বিরুদ্ধে খুব বেশি ক্ষোভ নেই। এই বিষয়টি মাথায় রেখে কংগ্রেস কৌশলে তরুণ নেতাদের ওপর বিশ্বাস রাখে। কমিটি সিদ্ধান্ত নেয়, কোনো বর্তমান সাংসদকে বিধানসভায় টিকিট দেওয়া হবে না।

বিদ্রোহীদের শান্ত করা

সাংসদ পদ ছেড়ে নির্বাচনে লড়তে চেয়ে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন কে. সুধাকরণ। তাকে শান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রবীণ নেতা এ.কে. অ্যান্টনিকে। খাড়গে এবং রাহুল গান্ধী ব্যক্তিগতভাবে তার ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বুঝিয়ে দেন, দল তার পরিশ্রমের মূল্যায়ন করে। টিকিট বণ্টনের পর বিদ্রোহী নেতাদের সামলানোর ভার নেন কে. সি. বেণুগোপাল। তিনি জানতেন, কেরালার ফল তার নিজের রাজনৈতিক সম্মানের সঙ্গে যুক্ত। তাই তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিদ্রোহীদের বাড়ি গিয়ে তাদের অভিযোগ শোনেন এবং ক্ষোভ কমানোর চেষ্টা করেন।

মমতার সাম্রাজ্য যে ৫ কারণে ‘ভেঙে খান খান’mamata

সুসংগঠিত প্রচার ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি

নির্বাচনের ঠিক আগে কংগ্রেস নিজেকে একটি সুশৃঙ্খল দল হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়। যেখানে বড় ভূমিকা রাখেন ইন-চার্জ দীপা দাশমুন্সি। এরপরই শুরু হয় পিনারাই বিজয়ন সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক প্রচার। রাহুল গান্ধী স্বয়ং প্রচারে নেমে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। কংগ্রেস তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমার প্রতিশ্রুতি ব্যাপকভাবে প্রচার করে।

সামাজিক সমীকরণ ও ভোট ব্যাংক

মুসলিম লীগের সঙ্গে জোট থাকায় কংগ্রেস এই ভোট নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিল। যার জন্য ইমরান প্রতাপগড়ীকে এই ভোট নিশ্চিত করতে প্রচারে নামানো হয়। অন্যদিকে খ্রিস্টান ভোট ব্যাংক ধরে রাখতে সানি জোসেফকে প্রদেশ সভাপতি করা হয়। এছাড়া কেন্দ্রের এফসিআরএ বিল নিয়ে বিতর্ক খ্রিস্টান ভোটারদের কংগ্রেসের দিকে আরও সংহত করে।

কংগ্রেসের তিন সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী, কে.সি. বেণুগোপাল, ভি.ডি. সতীশন এবং রমেশ চেন্নিথালা নায়ার সম্প্রদায়ের। এই সমীকরণ বিজেপিকে রুখে দিয়ে কংগ্রেসের পক্ষে বড় জয় নিশ্চিত করে।

বিষয়: নির্বাচনভারতকেরালাভোট
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ