
পরাধীনতা থেকে মুক্তি পেতে বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের পথ ধরে নয় মাস যুদ্ধের পর এসেছিল যে স্বাধীনতা, উড়েছিল লাল-সবুজের পতাকা; সেই স্বাধীন স্বদেশ বিনির্মাণের ৫৫তম বার্ষিকীতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং৩০ লক্ষ শহীদের আত্মদান এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। পাকিস্তানি বাহিনীর দমনপীড়ন আর নীল নকশাকে রুখে দিয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য।

চিঠিতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু লিখেছেন, ভারত দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার জন্য এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আগ্রহী।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তার দপ্তরে এ ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তিনি পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।