ঈদ উপলক্ষে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো খোলা রাখার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। ২৬ মার্চ থেকে আগের সময়সূচিতে ফিরে গেল স্টেশনগুলো। রাজধানীর পরীবাগ থেকে ভিডিও করেছেন হাসান জোবায়েদ সজিব।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে সিএনজি স্টেশনগুলোতে মিলছে না গ্যাস। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে নষ্ট হচ্ছে অসংখ্য কর্মঘণ্টা। ফিলিং স্টেশনের লোকজন বলছেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ চলছে।

আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেক) নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

পেট্রোবাংলার হিসাবে বর্তমানে গড়ে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ২৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় খনিগুলো দৈনিক ১৮৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে ১০৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। এতে প্রতিদিন অন্তত ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।