নারী উদ্যোক্তা

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘তারা উদ্যোক্তা ১০১ স্কেল-আপ সামিট’ অনুষ্ঠিত
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ব্যবসা পরিচালনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং বাজারজাতকরণ সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের পেশাদার ধারণা দেওয়া। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির যৌথ সহযোগিতায় এই প্রোগ্রামটি পরিচালিত হয়।

পরিত্যক্ত কয়লাখনি যেভাবে হলো সফল পর্যটনকেন্দ্র
ভারতের ছত্তিশগড়ের পরিত্যক্ত বিশরামপুর কয়লাখনিকে একটি চমৎকার পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নারীদের পরিচালিত দৃষ্টিনন্দন এই হ্রদ ও পার্কটি তাদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাবলম্বিতা বাড়িয়েছে। সব বাধা পেরিয়ে একসময়ের গৃহিণীরা এখন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে সমাজকে পথ দেখাচ্ছেন।

স্বর্ণার শখ ও আয় যেভাবে মিলে গেল
শিশুদের ছবি আঁকতে শেখাতে গিয়ে নানা হস্তশিল্পের পণ্য তৈরি শুরু করেন সাদিয়া স্বর্ণা। তার নিজের সন্তান রয়েছে, তাই ভাবলেন চাকরি না করে যদি ঘরে বসেই কিছু করা যায়—সেই ভাবনা থেকেই চারুশির জন্ম।

গাড়িতে করে বাড়ি আসবে কাটা সবজি
মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় দুটি সবজির গাড়ি ঘুরে বেড়ায়, ‘ভেজিটেবল কার্ট’ ও বলা যায়। এই গাড়ি দুটিতে বিক্রি হয় পরিষ্কার করা কাটা-সবজি। এভাবে সবজি বিক্রির উদ্যোগটি নিয়েছেন সাবেক ব্যাংকার মাহমুদা ইয়াসমিন।

ধুন্দলের আঁশ দিয়ে শহুরে মাজনি, এক তরুণীর উদ্যোগের গল্প
ধুন্দলকে আমরা জানি সুস্বাদু সবজি হিসেবে। কিন্তু এর আঁশ দিয়ে শরীর মাজনিও হয়। এই প্রাকৃতিক মাজনি দেশে অনেক আগে থেকেই আছে। কিন্তু শহরের মানুষ তেমন একটা ব্যবহার করে না। শহরের মানুষের উপযোগী করে সেই পরিবেশবান্ধব মাজনি নিয়ে এসেছেন ফারিয়া।

‘পেটের দায়ে চালাতে হয়’
তানিয়া আগে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। এখন রাজধানীর সড়কে অটোরিকশা চালান। ছয় সদস্যের পরিবারে তিনি একাই আয় করেন। পুরানা পল্টন এলাকা থেকে ভিডিও করেছেন তারিক সজীব

ভালো বেতনের অনেক চাকরি হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘টার্নিং পয়েন্ট’
চাকরি বা কর্মসংস্থান কেবল অর্থ উপার্জন বা দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নয়, এটি মানুষকে সম্মানও এনে দেয়। ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছালেও এই সময়ে শ্রমবাজারে যুক্ত হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ নতুন চাকরি। তার মানে প্রায় অর্ধেক তরুণ এই সময়ে কর্মসংস্থান পায়নি

করোনাকালে শুরু মনিরার ক্যাটারিং
‘আপন ঘর’ এখন অনেকেরই আপন। অনেকের উৎসব ও অনুষ্ঠান জমেই না মনিরা সুলতানার আপন ঘরের খাবার ছাড়া। রান্নাবান্না তিনি আগে থেকেই করতেন, করোনাকালে শুরু করেন ক্যাটারিং ব্যবসা। তিনি নানা পদের খাবারের অর্ডার নেন। সবচেয়ে বেশি চলে পোলাও-রোস্ট।

চাকরি না পেয়ে চশমায় মন দিলেন জেসমিন
ব্যবসা করার কথা আগে কখনো ভাবেননি জেসমিন আক্তার। আগে চাকরি করতেন। একবার চাকরি ছেড়ে আর চাকরি পাচ্ছিলেন না তিনি। পরে এক বন্ধুর অনুপ্রেরণায় শুরু করলেন অনলাইন ব্যবসা। শুরুতে হাতে তৈরি মানিব্যাগ তৈরি করতেন, পরে শুরু করলেন সানগ্লাস বিক্রি।



