সিরিয়ার দামেস্ক ও আফরিনে নেচে-গেয়ে ও অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে ফার্সি নববর্ষ 'নওরোজ' উদযাপন করেছেন কুর্দিরা। প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার ডিক্রির মাধ্যমে নাগরিকত্ব ও ভাষার স্বীকৃতি পাওয়ার পর এটিই তাদের প্রথম উদযাপন। নবজাগরণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও বসন্তের আগমনের এই উৎসবে সিরীয় ও কুর্দি পতাকা হাতে রাস্তায় আ

ইরানে ঈদ আগামীকাল শনিবার। আবার একই দিনে পড়েছে নওরোজ বা নববর্ষ। এভাবে দুটি উৎসবের দিন একসঙ্গে পড়াটা খুবই বিরল ঘটনা। স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে ইরানিরা কাল কত আনন্দে মেতে উঠতেন। কিন্তু বর্তমানে ইরান তো ইসরায়েল ও আমেরিকার বোমায় বোমায় বিধ্বস্ত।

চীনের বেইজিং ও সাংহাই জুড়ে বর্ণিল আয়োজনে শুরু হয়েছে চীনা নববর্ষ, যা ‘বসন্ত উৎসব’ নামেও পরিচিত। ড্রাম, ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স, লাল লণ্ঠন আর আতশবাজিতে মুখর ১৫ দিনের এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব। চীনা রাশিচক্রের ঘোড়ার বছরে শক্তি, গতি ও নতুন সাফল্যের প্রত্যাশায় উদযাপনে মেতেছে বিশ্বজুড়ে চীনা সম্প্রদায়।

নতুন বছর এলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় নেই কোনো উৎসব, আছে শুধু অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতা। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ২০২৬ সালে শান্তি, নিরাপদ জীবন ও নিজ ঘরে ফেরার আকুতি জানাচ্ছেন। যুদ্ধবিরতির পর সহিংসতা কমলেও গাজায় স্বস্তি এখনো অধরা।

আতশবাজি, আলোকসজ্জা আর উৎসবের আমেজে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিশ্বজুড়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সাল। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ছিল আনন্দঘন উদযাপন। সময়ের পার্থক্য থাকলেও নতুন আশা, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তায় একসঙ্গে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব।

নববর্ষের আচার অনুষ্ঠানে পেরুর ওঝারা ২০২৬ সালের বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁদের পূর্বাভাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর পতন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গুরুতর অসুস্থতার কথা উঠে আসে।

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস পালন করা হয়, তবে ব্যতিক্রম রাশিয়া। দেশটিতে এই উৎসব আসে আরও দুই সপ্তাহ পরে, ৭ জানুয়ারি। তখন আলো ঝলমলে উচ্ছ্বাসের বদলে পরিবেশ থাকে শান্ত, রাস্তাঘাটে নিস্তব্ধতা, আর উৎসবটি যেন আনন্দের চেয়ে বেশি এক ধরনের বিরতি।