
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, এমপি-মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রায় ৬২৬ জন ব্যক্তি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আশ্রয় নেন। সাবেক স্পিকারও সেখানে ছিলেন বলে তৎকালীন আইএসপিআর এক বার্তায় জানিয়েছিল।

আদেশ ঘোষণার পরপরই আসামিপক্ষের কয়েকজন আইনজীবী এজলাসের ভেতরে হট্টগোল শুরু করেন।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক রাজনৈতিক নেতা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত ২২ মে যে তালিকা প্রকাশ করে, তাতে শিরীন শারমিন চৌধুরীর নামও ছিল।