
ইরান–ইসরায়েল সংঘাতের কারণে জেরুজালেমে আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে। ফলে জুমার দিনে অনেক মুসল্লিকে মসজিদের বাইরে রাস্তায় নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকে এমন পরিস্থিতি নিয়ে মুসলিম বিশ্বে উদ্বেগ বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে একদল ধর্মযাজকের সঙ্গে প্রার্থনায় অংশ নিয়েছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগাম হামলার পর সংঘাত দ্রুত জটিল আকার নিয়েছে। ইরানের সস্তা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কৌশল পশ্চিমা শক্তির ব্যয় ও অস্ত্র মজুদের ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এর সামরিক ও রাজনৈতিক মূল্য দুই পক্ষের জন্যই ভারী হয়ে উঠতে পারে।

ইরানে হামলার সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেও অনেক কিছুই ভাবাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ইরান আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। ফলে সবকিছু ভেনেজুয়েলার মতো হবে, এটা মানা কঠিন হয়ে পড়েছে মার্কিন কর্মকর্তাদের। চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন অধ্যাপক বদরুল আলম খান।

বিশ্লেষক জোনাথন পানিকফের মতে, ইরানে হামলার পর সেনাদের প্রাণহানি বাড়তে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধ নিয়ে জনসমর্থন দ্রুত কমে যেতে পারে। তিনি সতর্ক করেছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় রাজনৈতিক চাপ তৈরি করবে।