
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো নবম জাহাজ। আজ শুক্রবার বিকেলে জাহাজটি ডলফিন জেটিতে নোঙর করেছে বলে জানিয়েছেন বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মোমিতা।

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী ছয়টি জাহাজকে যেতে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।

৬১ হাজার টন গম নিয়ে আমেরিকা থেকে এমভি এম পি আলট্রা ম্যাক্স-২ নামের একটি জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে। আজ বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েল দ্বন্দ্বে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাব এখন বিশ্ব বাণিজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোরগোড়ায়। লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ জটের কারণে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিলিয়ন ডলারের গাড়ি রপ্তানি খাত মুখ থুবড়ে পড়েছে।

আইআরজিসির খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি বহনকারী ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকার ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে।

গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশসহ মোট ছয়টি দেশের জাহাজ নিরাপদে পার হতে পারবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এ তালিকায় থাকা বাকি দেশগুলো হলো- ভারত, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান এবং ইরাক।

সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘সিলেকটিভ ব্লকেড’ নীতির দিকে অগ্রসর হয়েছে ইরান। নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম।

ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছিলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে হামলা না হলে সেসব দেশে পাল্টা হামলা চালাবে না ইরান। কিন্তু তারপরও একাধিক উপসাগরীয় দেশে ইরানি হামলার খবর পাওয়া গেছে। কোন দিকে মোড় নিচ্ছে যুদ্ধ-পরিস্থিতি?

এসব জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল ও শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাতের জেরে কাতার তাদের গ্যাস উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করার পর প্রথমবারের মতো একটি এলএনজি কার্গো বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানি নৌবাহিনী সফলভাবে একটি মার্কিন তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে হামলার বিস্তারিত তথ্য বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

এই প্রণালির মাধ্যমে প্রধানত ইরান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তেল ও এলএনজি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হয়।

এই প্রণালির মাধ্যমে প্রধানত ইরান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তেল ও এলএনজি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হয়।