
বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ছোট ও মাঝারি সাইজের পার্টিব্যাগের দাম রাখা হচ্ছে ১ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা। আর শিশুদের পার্টিব্যাগগুলোর দাম ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা।

গত বছরের নভেম্বরে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে আগুন লাগে। সেই আগুনে পুড়ে যায় শাহিনুরসহ আরো অনেকের ঘর। এবারের ঈদ তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেনি। ঈদের কেনাটা তো দূরের কথা, ইফতার সামগ্রী কেনার সামর্থ্য তাদের নেই।

নগরবাসীর কেনাকাটা শেষের দিকে। এবার ঈদের দিনটির জন্য নিজেকে তৈরি করা বাকি। এখন শুধু নারীরা না, স্কিন, বাজেট ও চাহিদা অনুযায়ী লুক চেঞ্জ করতে পুরুষরাও ছুটছে পার্লারের দিকে।

অনলাইনে পছন্দের জিনিস অর্ডার করে পেয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু? লোভনীয় অফার, ফেক রিভিউ আর নকল ওয়েবসাইটের ফাঁদে পড়ছেন না তো? কিছু সহজ কৌশল জানলেই অনলাইন শপিং হতে পারে নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত।

কিছুদিন পর ঈদুল ফিতর। রাজধানীজুড়ে উৎসবের আমেজ। অনেকে কিনে ফেলেছেন ঈদের পোশাক। এবার তারা ছুটছেন জুতার দোকানে। পাদুকার আবার নানা পদ। অনেকের পছন্দ স্নিকার।

দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পেয়েছিল জামদানি। এই শাড়ির কদর এখন বিশ্বজুড়ে। জামদানির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নারায়ণগঞ্জের তাঁতীরা। ঈদের আগে জেলার রূপগঞ্জে নোয়াপাড়ার জামদানিপল্লিতে ব্যস্ততা বেড়ে যায়। কারিগরেরা বুনতে থাকেন একের পর এক শাড়ি।

শিশুদের ঈদের পোশাক কেনা কতটা কঠিন তা যারা কেনেন তারাই জানেন। শিশুদের মনের মতো পোশাক পেতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় অভিভাবকদের। তারা এখন ছুটে বেড়াচ্ছেন এক শপিংমল থেকে অন্য শপিংমলে, এক দোকান থেকে আরেক দোকানে।

ঈদের পোশাক কিনতে অনেকে ভিড় করছেন থ্রিপিসের শোরুমগুলোতে। বিভিন্ন রং ও নকশার থ্রিপিসের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। সবচেয়ে বেশি চলছে, শারারা ও গারারা থ্রিপিস।

ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়ে গেলেও, পুরোপুরি এখনো জমে ওঠেনি। বিক্রেতার আশায় আছেন, কয়েকদিনের মধ্যেই বিপণি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের সমাগম বাড়বে। ঈদের পোশাক হিসেবে শাড়ি অনেকের প্রথম পছন্দ। তবে ক্রেতারা জানালেন, আগের তুলনায় শাড়ির দাম বেড়েছে।