
কমলাপুরে লালসবুজ পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার শাকির জাভেদ বলেন, “আমাদের বাসগুলোতে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ অনেক বেশি। তবে ঢাকা থেকে ফিরতি যাত্রায় যাত্রী পাচ্ছি কম।”

রাত পোহালেই ঈদুল ফিতর। নাড়ির টানে এখনো শহর ছাড়ছে নগরবাসী। তবে চাঁদরাতে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নেই যাত্রীদের চিরচেনা ভিড়। তারওপর সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখী মানুষ।

কেবল বাস নয়, ট্রেনেও বাড়তি ভাড়া নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ আছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটি ১০ শতাংশের বেশি করা যায়নি। অনলাইনে সব টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করলেও টিকিট কালোবাজারিদের ব্যবসা থাকে না।

ঈদে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি দাবি করেন, ইতিহাসের জঘন্যতম অব্যবস্থাপনা বাংলাদেশ এবার প্রত্যক্ষ করল।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ও বিভিন্ন টার্মিনাল পরিদর্শন করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টদের। তবে বাস্তবে অতিরিক্ত ভাড়া এবং বাস ছাড়তে দেরি হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি গণপরিবহনে ডিজিটাল পেমেন্ট চালু, নগদ লেনদেন বন্ধ, সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে।

তিনি জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌপথ নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সচল রাখা হচ্ছে এবং আরও নৌপথ উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে রাজধানীর মানুষ। গত ৪ মার্চ ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কাটা যাত্রীরাই শুধু যাত্রা করছেন আজ। শনিবার রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, ঘরে ফেরা যাত্রীর সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদের সময় রাজধানীর অনেক মানুষ নিজ নিজ জেলায় চলে যান। এ সময়ে যাতে ছিনতাই, চুরি, অজ্ঞান বা মলম পার্টির তৎপরতাসহ কোনো ধরনের অপরাধ সংঘটিত না হয়, সে জন্য পুলিশ সদস্যদের সজাগ থাকতে হবে।

পরিবহন মালিক ও চালকদের অভিযোগ, সরকার জ্বালানি সরবরাহ সীমিত করে দেওয়ার পর তেলের পাম্পগুলোতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গেছে। দূরপাল্লার বাসে ৫০ থেকে ৭০ লিটার ডিজেল দেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও ২০ থেকে ৩০ লিটারের বেশি মিলছে না। ফলে একটি বাসের জন্য ৮-১০টি পাম্প ঘুরে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

আসন্ন ঈদযাত্রায় বাসভাড়া বাড়ার কোনো শঙ্কা নেই বলেও আশ্বস্ত করেন রেলমন্ত্রী।