Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

বুদ্ধিজীবী হত্যা: ব্রিটিশ সাংবাদিকের বয়ানে ‘সুপরিকল্পিত চক্রান্ত’

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯: ০৫
বুদ্ধিজীবী হত্যা: ব্রিটিশ সাংবাদিকের বয়ানে ‘সুপরিকল্পিত চক্রান্ত’

১৮ ডিসেম্বর ১৯৭১।

Advertisement

বিজয়ের দুদিন পর রায়েরবাজারের কাঁটাসুর ও মিরপুরের শিয়ালবাড়ি নামের জায়গায় খুঁজে পাওয়া যায় মানব ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস বধ্যভূমি। মুক্তির আনন্দ আর বিজয়ের উচ্ছ্বাস মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যায় অনির্বচনীয় এক শোকানুভূতিতে। কোনো সভ্য দেশে এমন নৃশংসতা কী সম্ভব? মুক্তির আনন্দকে গ্রাস করল কান্নার রোল।

রায়েরবাজার আর মিরপুরের শিয়ালবাড়ির পরিত্যক্ত জলাভূমি থেকে আবিষ্কৃত হলো অনেক পরিচিত মানুষের বিকৃত মরদেহ। তাদের কেউ অধ্যাপক, কেউ চিকিৎসক, সাংবাদিক কিংবা সাহিত্যিক। সমাজের উঁচুস্তরের মানুষ। সবাই সমর্থন দিয়ে গেছেন বাঙালির স্বাধিকারের দাবিকে। ১৬ ডিসেম্বরের সপ্তাহখানেক আগে থেকেই তো এঁরা সবাই নিখোঁজ ছিলেন। অনেকের ক্ষেত্রেই বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার সময় বলা হয়েছিল ‘সরকারি দায়িত্বের’ কথা। আল বদরের সদস্যরা তাদেরই প্রিয়জনদের আশ্বাস দিয়েছিল, ‘ভয় পাবেন না। ওনার সরকারি দায়িত্বের ডাক পড়েছে। আমাদের বলা হয়েছে নিয়ে যেতে। কাজ শেষ হলে শিগগিরই ফিরবেন তারা।’

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধাyunus-at-mirpur-buddhijibi

তারা কেউই ফেরেননি। ১৬ থেকে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে এই মানুষদের অনেকেরই মৃতদেহ বিকৃত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায় রায়েরবাজার ও শিয়ালবাড়ির বধ্যভূমিতে। প্রিয়জনেরা যখন মরদেহ শনাক্ত করেছেন, তখন দেখা দেছে কী অত্যাচার-ই না করা হয়েছে তাদের ওপর। কারও দুই চোখ ওপড়ানো, কারও শরীরে অসংখ্য বেয়োনেটের আঘাত, কারও শরীরে অজস্র কাটার দাগ। যেন বেয়োনেট বা ধারালো কোনো কিছু দিয়ে ফালা ফালা করা হয়েছে তাদের শরীর। দেশের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফজলে রাব্বীর চোখ বাঁধা মরদেহে ‘হৃদয়’ ছিল না। নরপশুরা হার্টের চিকিৎসক ফজলে রাব্বীর হৃদযন্ত্র কেটে বের করে নিয়েছিল। চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আলীম চৌধুরী, সাংবাদিক শহীদুল্লা কায়সার, নিজামউদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক রশীদুল হাসানদের মতো অনেককেই বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিজয়ের আগ মুহূর্তে—এঁদের অনেকের মরদেহও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সাংবাদিক নিকোলাস টোমালিন
সাংবাদিক নিকোলাস টোমালিন

মুক্তিযুদ্ধের সময় খবর সংগ্রহ করতে এদেশে এসেছিলেন ব্রিটেনের সানডে টাইমস পত্রিকার সাংবাদিক নিকোলাস টোমালিন। তিনি ১৮ ডিসেম্বর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে গিয়ে স্তম্ভিত হয়ে যান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের ঘটনা কাভার করার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ এই ব্রিটিশ সাংবাদিকের লেখাতেও রায়েরবাজার বধ্যভূমি নিয়ে এক ধরনের হতবিহ্বলতা লক্ষ্য করা যায়। তিনি রায়েরবাজার বধ্যভূমি দেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে সানডে টাইমসে ঢাকা থেকে একটা প্রতিবেদন পাঠান।

সেখানে তিনি লেখেন, “…..এখানে এই বুদ্ধিজীবীরা শুয়ে আছেন। তাঁদের শরীরের ওপর ধুলো-কাদা, দেহগুলো গলতে শুরু করেছে। একটি বাঁধের ওপর একটি কঙ্কাল পড়ে রয়েছে। ঢাকার কুকুরগুলো নাটকীয়ভাবে দেহটাকে মাংসমুক্ত করে ফেলেছে। বাঙালি জনতা এই ডোবাগুলোতে এক অদ্ভুত শান্ত ভঙ্গিমায় চলাচল করছে। এখানে তাদেরকে ক্রোধান্বিত মনে হয় না। অন্যত্র তারা ক্রোধোন্মত্ত, কিন্তু এখানে তারা হাঁটছে, মৃদু ফিসফিস করে কথা বলছে, এমনভাবে হাঁটছে, যেন তারা গির্জা পরিদর্শনরত পর্যটক।”

শিল্পীর তুলিতে কয়েকজন শহীদ বুদ্ধিজীবী।
শিল্পীর তুলিতে কয়েকজন শহীদ বুদ্ধিজীবী।

রায়েরবাজার বধ্যভূমির একটা বর্ণনাও পাওয়া যায় তার ‘বেঙ্গলস এলিট ইন অ্য ডিচ’শিরোনামের লেখায়, “রায়েরবাজারের বধ্যভূমিটি হচ্ছে ঢাকা শহরের উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের আবাসিক এলাকা ধানমন্ডির কাছে একটি ইটখোলা। অদ্ভুত এক নির্জন জায়গা। এদিক-ওদিক ছড়িয়ে আছে নীলচে সাদা জলাশয়। কচুরিপানা ভেসে বেড়ায় তাতে। শতশত ঢাকাবাসী এসেছিলেন মরদেহগুলো দেখার জন্য। কাদামাটির পাড় ধরে হাঁটতে থাকা অনেকেই খুঁজছিলেন নিজেদের প্রিয়জনদের মরদেহ। তাদের নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল গত কয়েকদিনের মধ্যেই।”

পালানোর পথ রুদ্ধ, প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনীরfreedom fighter

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের ঠিক আগে দিয়ে এমন নৃশংসতা নিয়ে নিজের অভিমতও তুলে ধরেছেন টোমালিন, ‘বৃহস্পতিবার (১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ছিল বৃহস্পতিবার) ঢাকায় আত্মসমর্পণের আগে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কমপক্ষে ৫০ জনের মতো শহরের সেরা বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকসহ নানা পেশাজীবীদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে। ওটা ছিল বাঙালি এলিট বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষিত শ্রেণির মানুষকে নিঃশেষ করে দেওয়ার সুপরিকল্পিত চক্রান্ত। সামরিক অভিযানের নামে এই নৃশংস ব্যাপারটি সম্পর্কে জেনারেল নিয়াজীসহ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাইকমান্ডের অনেকেই খুব ভালো করেই জানতেন।’

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে কতজন বুদ্ধিজীবী হত্যার শিকার হয়েছিলেন?
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে কতজন বুদ্ধিজীবী হত্যার শিকার হয়েছিলেন?

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন ঢাকাবাসীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, নৃশংস উন্মত্ততায় তখনই বেছে বেছে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা শুরু হয়। গণহত্যার প্রথম প্রহরেই হত্যা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিশিষ্ট অধ্যাপককে। দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব, ফলিত পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফজলুর রহমান খান, পরিসংখ্যান বিভাগের এ এন এম মুনীরুজ্জামান, পর্দার্থবিজ্ঞান বিভাগের আতাউর রহমান খাদিম, ইংরেজি বিভাগের ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হলে তিনি বেঁচে ছিলেন আরও কয়েকদিন। ২৫ মার্চ রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আটজন শিক্ষককে হত্যা করেছিল পাকিস্তানি সেনারা। তাদের প্রায় সবাই ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সমর্থক।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি ধরে রাখতে ১৯৮৮ সালে বাংলা একাডেমি একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। ‘স্মৃতি ১৯৭১’ নামে একাধিক খণ্ডে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বজন ও পরিচিতদের লেখা স্মৃতিকথা প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৮৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ‘স্মৃতি ১৯৭১’গ্রন্থের ১৩টি খণ্ড প্রকাশিত হয়। সেখানে তিন শতাধিক শহীদ বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীর পরিচয় পাওয়া যায়। এই স্মৃতিগ্রন্থের পরিকল্পনা করেছিলেন একাডেমির প্রয়াত মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু হেনা মোস্তফা কামাল। সম্পাদক ছিলেন প্রয়াদ রশীদ হায়দার।

১৯৭১ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের বছর। বিশ্ব মানচিত্র মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর বছর। কিন্তু সেটির বিনিময় মূল্য অনেক। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরেরা স্বাধীন বাংলাদেশকে বুদ্ধিবৃত্তিক দিক দিয়ে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনাটা করেছিল ঠান্ডা মাথাতেই।

বিষয়: পাকিস্তানমুক্তিযোদ্ধাবুদ্ধিজীবীমুক্তিযুদ্ধপাকিস্তানি হানাদার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্

  • আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    সুপারমার্কেট থেকে দুই শতাংশ চর্বিযুক্ত দুধের একটি বোতল কেনার সময় সাধারণত কেউ আন্তর্জাতিক রাজনীতির কথা ভাবেন না। ক্রেতার প্রত্যাশা থাকে, বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, ভেতরের পণ্যও ঠিক তা-ই হবে। কিন্তু এই সাধারণ আস্থার পেছনেও রয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়ম, মান নির্ধারণ এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের একটি বিস্তৃত

  • অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, বাজেটের আওতাধীন দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজর ২৪৫ কোটি টাকা। একই ধারাবাহিকতায় নভেম্বরের গোড়াতে সরকারি কর্মচারীদেরকে নতুন বেতন স্কেলে অক্টোবর মাসের বেতন