Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও রাজনীতির ভাষা

মাহরুফ চৌধুরী

মাহরুফ চৌধুরী

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ৪২
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও রাজনীতির ভাষা

২১ ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র একটি দিনপঞ্জির তারিখ নয়; এটি ভাষা, পরিচয়, আদর্শ ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে বাঙালির আত্মনির্ধারণের এক জাগ্রত ইতিহাস। এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে রাষ্ট্র কেবল ভৌগোলিক সীমানা নয়, বরং ভাষা ও চেতনার ওপর নির্মিত একটি নৈতিক ও সাংস্কৃতিক সত্তা। ভাষার জন্য বাংলাদেশিদের আত্মত্যাগ মানবিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক স্বাধিকারের প্রশ্নকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছিল। ফলে ২১ ফেব্রুয়ারি কেবল শোকের নয়, বরং নাগরিক আত্মমর্যাদা ও প্রতিরোধের দর্শনের এক প্রতীক।

Advertisement

ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও মানবাধিকারভিত্তিক তাৎপর্যের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করা হয়, যা ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের স্থানীয় আন্দোলন বৈশ্বিক মানবিক মূল্যবোধের অংশে পরিণত হয়। দিবসটির উদ্দেশ্য কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণ নয়; বরং ভাষাগত বৈচিত্র্যের সংরক্ষণ, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভাষাগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সচেতনতা সৃষ্টি। ইউনেস্কোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ছয় হাজারটিরও বেশি ভাষা প্রচলিত থাকলেও এর অন্তত ৪৩ শতাংশ ভাষার অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখিন। বিশ্বায়ন, একভাষিক আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ভাষানীতি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সীমিত ভাষার আধিপত্য– এসব কারণে বহু ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভাষা বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাষাবিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, কোনো ভাষার মৃত্যু মানে কেবল শব্দভাণ্ডারের ক্ষয় নয়; বরং একটি স্বতন্ত্র জ্ঞানব্যবস্থা, ইতিহাস-চর্চা, লোকঐতিহ্য ও জীবনদর্শনের বিলোপ। ফলে মাতৃভাষা রক্ষার প্রশ্নটি সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ ও মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি একটি জাতির সাংস্কৃতিক আত্মা, স্মৃতির আধার এবং রাজনৈতিক শক্তির প্রতীক। দার্শনিক আলোচনায় ভাষাকে চিন্তার বাহন বলা হলেও আধুনিক রাজনৈতিক তত্ত্ব দেখায়, ভাষা একই সঙ্গে ক্ষমতার নির্মাণ ও বণ্টনের ক্ষেত্র। ভাষা আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে যে, ভাষার অধিকার কেবল সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত বিধান নয়; এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের ভিত্তিগত প্রশ্ন। যখন রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা নির্ধারণ করে, শিক্ষাব্যবস্থায় ভাষার স্থান নির্ধারণ করে কিংবা প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ভাষা ব্যবহারের সীমা টেনে দেয়, তখন তা সরাসরি নাগরিকের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের সুযোগকে প্রভাবিত করে। এই প্রেক্ষাপটে ভাষার রাজনীতি একটি অনিবার্য বাস্তবতা। ভাষানীতি রাষ্ট্রীয় অন্তর্ভুক্তি ও বর্জনের রেখা টেনে দেয়– কারা শাসনকাঠামোর অংশ হবে, কারা প্রান্তিক থাকবে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা তাই বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের উৎসস্থলে অবস্থান করে। এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক সংগ্রাম নয়; বরং একটি রাজনৈতিক দর্শন, যেখানে ভাষাকে মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রাম জাতীয় ঐক্য, ন্যায়বিচার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রশ্নকে একসূত্রে গেঁথে দিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে নাগরিকের মর্যাদাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে।

ভাষা এলো কীভাবেjourney of language

ইউনেস্কো ও জাতিসংঘের বিভিন্ন উদ্যোগ ভাষাগত বৈচিত্র্য, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অধিকারের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক পরিসরে একটি নৈতিক কাঠামো তৈরি করেছে। কিন্তু নীতিগত স্বীকৃতি আর বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধান স্পষ্ট। বহু রাষ্ট্রেই শিক্ষানীতি, প্রশাসনিক ভাষা ব্যবহার, আদালতের ভাষা, এমনকি ডিজিটাল প্রযুক্তির ইন্টারফেসে ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রতিফলন সমানভাবে দেখা যায় না। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার থাকা সত্ত্বেও ভাষা-অধিকার বাস্তবে নির্ভর করে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সাংবিধানিক কাঠামো ও নীতিনির্ধারণের অগ্রাধিকারের ওপর। জাতিগত, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য রাজনীতিকে কখনও সহযোগিতার ভিত্তি দেয়, আবার কখনও বিভাজনের রেখা টানে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচনায় ভাষা প্রায়ই নাগরিকত্বের সীমানা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রকৃত অর্থে, কারা ‘মূলধারার’ নাগরিক, আর কারা প্রান্তিক সেটা নির্ধারণ করে। ভাষার রাজনীতি তাই নিছক শব্দচয়ন বা প্রতীকী মর্যাদার প্রশ্ন নয়; এটি শিক্ষার অধিকার, সরকারি চাকরিতে প্রবেশ, বিচারপ্রাপ্তি, সামাজিক সুরক্ষা এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ভাষানীতি মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত; সংবিধানের ঘোষণাপত্র যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন কাঠামো।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বজুড়ে ভাষার অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার প্রশ্নে নতুন মনোযোগ সৃষ্টি করেছে। ভাষাবিজ্ঞান, নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন আলোচনায় এখন মাতৃভাষাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা, বহুভাষিক দক্ষতা এবং প্রযুক্তিতে ভাষাগত অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এর ফলে ভাষা প্রশ্নটি কেবল ঐতিহাসিক স্মৃতির পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। ভাষা-অধিকার এখন বৈশ্বিক নাগরিকতার অংশ। প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী ভাষা সচেতনতার দিন হিসেবে পালিত হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য আরও গভীর। এটি ভাষার মর্যাদা, মানবিক অধিকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার এক নৈতিক আহ্বান। ভাষা দিবসের রাজনীতি অতীতের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার পাশাপাশি বর্তমান রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক কাঠামোয় ভাষার দায় ও দায়িত্বকে সামনে আনে। ভাষা মানুষের আত্মপরিচয়ের মৌলিক উপাদান; রাষ্ট্র যদি ভাষার মর্যাদা রক্ষা না করে, তবে সে রাষ্ট্র নাগরিকের সাংস্কৃতিক বিকাশ ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে সীমিত করে। এই অর্থে ভাষা দিবস কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের পারস্পরিক সম্পর্কের মানদণ্ড। ভাষা কেবল উৎসবের বিষয় নয়; এটি নীতির প্রশ্ন, ন্যায়বিচারের প্রশ্ন, অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন। ভাষার প্রতি রাষ্ট্রের আচরণই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে সে রাষ্ট্র কতটা মানবিক, কতটা গণতান্ত্রিক এবং কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক।

ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা আবেগ নয়, প্রয়োজন গভীর আত্মসমালোচনা। আমরা যে ভাষার অধিকারের জন্য রক্ত দিয়েছি, সেই ভাষা আজও কি রাষ্ট্রের সর্বস্তরে কার্যকর? প্রশাসন, উচ্চশিক্ষা, আদালত, প্রযুক্তি ও নীতিনির্ধারণের বয়ানে কি সত্যিই বাংলা তার ন্যায্য মর্যাদা পেয়েছে? নাকি ভাষা দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতা, আর বাস্তবে ক্ষমতার ভাষা অন্য কোথাও প্রাধান্য পাচ্ছে? ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে, ভাষা বঞ্চিত হলে মানুষও বঞ্চিত হয়; ভাষা অবদমিত হলে নাগরিক মর্যাদাও সংকুচিত হয়। ভাষা আন্দোলন আমাদের শুধু একটি রাষ্ট্র দেয়নি; দিয়েছে একটি নৈতিক মানদণ্ড। সেই মানদণ্ড হলো রাষ্ট্রের ভাষা হতে হবে মানুষের ভাষা, রাজনীতির ভাষা হতে হবে দায়িত্বশীল, সংযত ও মানবিক। আজ আমাদের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যে বিভাজনমূলক, অবমাননাকর ও উত্তেজনাপূর্ণ বয়ান দেখা যায়, তা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর সংকটের ইঙ্গিত বহন করে। ভাষা যেমন চিন্তার বাহন, তেমনি চরিত্রেরও প্রকাশ। রাজনৈতিক ভাষা যদি অসহিষ্ণু হয়, তবে গণতন্ত্রও দুর্বল হয়; ভাষা যদি বিদ্বেষে পূর্ণ হয়, তবে সমাজও বিভক্ত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি তাই কেবল শহীদদের স্মরণ নয়; এটি আমাদের ভাষাচর্চা, বাগভঙ্গি ও রাজনৈতিক বয়ানের শুদ্ধতার প্রতিশ্রুতি নবায়নের দিন। ভাষার মর্যাদা রক্ষা মানে কেবল বাংলা ব্যবহার নিশ্চিত করা নয়। বরং ভাষাকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার বাহনে পরিণত করা। রাষ্ট্র যদি তার নীতি, শিক্ষা ও প্রশাসনে ভাষাগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারে, আর রাজনীতি যদি শালীন ও দায়িত্বশীল ভাষা চর্চায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তবেই ভাষা আন্দোলনের চেতনা সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হবে। অতএব, ভাষা দিবস আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট প্রশ্ন রেখে যায়: আমরা কি ভাষাকে কেবল স্মৃতির প্রতীক হিসেবে রাখব, নাকি তাকে ন্যায়ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিশীলিত রাজনীতির ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব? ইতিহাসের রক্তঋণ আমাদের দ্বিতীয় পথটিই বেছে নিতে আহ্বান জানায়।

লেখক: ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য

বিষয়: একুশে ফেব্রুয়ারিঅমর একুশেআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসগণতন্ত্রভাষা আন্দোলনভাষা২১ ফেব্রুয়ারি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্

  • আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    সুপারমার্কেট থেকে দুই শতাংশ চর্বিযুক্ত দুধের একটি বোতল কেনার সময় সাধারণত কেউ আন্তর্জাতিক রাজনীতির কথা ভাবেন না। ক্রেতার প্রত্যাশা থাকে, বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, ভেতরের পণ্যও ঠিক তা-ই হবে। কিন্তু এই সাধারণ আস্থার পেছনেও রয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়ম, মান নির্ধারণ এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের একটি বিস্তৃত

  • অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, বাজেটের আওতাধীন দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজর ২৪৫ কোটি টাকা। একই ধারাবাহিকতায় নভেম্বরের গোড়াতে সরকারি কর্মচারীদেরকে নতুন বেতন স্কেলে অক্টোবর মাসের বেতন