Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

এআইকে এম ড্যাশের সর্বনাশ করতে দেবেন না

জোয়েল স্টেইন

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৯: ১৫
এআইকে এম ড্যাশের সর্বনাশ করতে দেবেন না

আধুনিক বিশ্বে জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে এআই। তবে যতি চিহ্ন ব্যবহারের পর থেকেই এই এআই নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। কিছুক্ষেত্রে এসব যতি চিহ্নকে এআই দ্বারা লেখা বলে বিবেচিত করা হয়, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লেখককে বিব্রত করে।

Advertisement

কয়েক সপ্তাহ আগে আমার ১৬ বছর বয়সী ছেলে লাজলোকে একজন জানিয়েছে, স্থানীয় এক স্কুল প্রশাসন অভিভাবকদের কাছে পাঠানো ইমেইলে এআই ব্যবহার করেছে। তবে এআইয়ের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল সেই স্কুল।

ইমেইলটিতে চ্যাটজিপিটি দিয়ে লেখার মিল পাওয়া যায়। পাশাপাশি লেখাটি বিরক্তিকর। একজন স্কুল প্রশাসকের লেখা এর চেয়ে আরও ভালো হয়।

আমরা লেখাটি দুটি এআই শনাক্তকরণ টুলের মধ্যে দিলাম। উভয় টুল জানায়, এটি কম্পিউটারে লেখা হওয়ার সম্ভাবনা ০ শতাংশ। আমি জানি না একটি কম্পিউটার কীভাবে বুঝতে পারে? সম্ভবত, এটি অন্য একটি কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কেন তাদের সূত্রটি ভেবেছিল যে, এটি এআই দ্বারা লেখা?

চ্যাটজিপিটি
চ্যাটজিপিটি

কারণ ইমেইলটিতে এম ড্যাশ ব্যবহার করা হয়েছিল। এম ড্যাশ হলো হাইফেনের চেয়ে কিছুটা দীর্ঘ একটি যতিচিহ্ন। দীর্ঘ বিরতি বোঝানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

এআই নিয়ে যারা উপহাস করে, তাদের কাছে বিষয়টি হোটেলের সাদা চাদরের ওপর কালো আলোর মতো হয়ে উঠেছে।

নতুন ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ কি তবে এআই?ai for jobs

এটি এমন একটি চিহ্ন, যাতে মনে হয় কোনো প্রবন্ধ, চিঠি বা অন্য কোনো লিখিত কাজে এআই দ্বারা লেখা হয়েছে, মানুষের দ্বারা নয়।

হ্যাকার নিউজের এনার্জি১২৩ নামের একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এখন এম ড্যাশ দেখলেই এখন মনে হয়, এটা তো এআই। যদি আপনি চান যে, লোকে ভাবুক আপনার লেখা একটি এআই আউটপুট নয়–তাহলে এই এম ড্যাশ ব্যবহার করবেন না।”

সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার লুক্সজেন সতর্ক করে বলেন, “যদি সবাই এআই ব্যবহার করার অভিযোগে অভিযুক্ত হতে না চায়, তবে তাদের চ্যাটজিপিটি হাইফেনটি সরিয়ে দেওয়া উচিত।”

গত সপ্তাহে, ওপেনএআইয়ের সিইও স্যাম অল্টম্যান সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে বলেন, “আপনি যখন চ্যাটজিপিটিকে আগেই নির্দেশনা দেন, যাতে লেখায় কোনো এম ড্যাশ না রাখে এবং সে অনুযায়ী লেখাটা পান; তাহলে বেশ লাভবান হয়েছেন বলা যেতে পারে।’’

এম ড্যাশ নিয়ে এই সব উপহাস আমাকে হতাশ করেছে। কারণ আমি একজন পেশাদার লেখক। এম ড্যাশকে আমি ভালোবাসি। চ্যাটজিপিটি আমাকে বলে, আমার লেখায় আমি প্রতি এক হাজার শব্দে ১১ বার এম ড্যাশ ব্যবহার করি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

অন্যান্য পেশাদার লেখকরাও এটি অনেক বেশি ব্যবহার করেন। সাধারণ মানুষের চেয়ে ৪.৪ গুণ বেশি। এই সংখ্যাগুলো তদন্ত সাপেক্ষ, ভুল হতে পারে। কারণ আমি সেগুলো চ্যাটজিপিটি থেকে পেয়েছি।

এআই কি দরিদ্র দেশগুলোকে ধনী বানাতে পারবেafrica student

তবে আসল কথা হলো, পেশাদারদের কাছে এম ড্যাশ অত্যন্ত প্রিয়।

কেন?

কারণ অন্য যেকোনো যতিচিহ্নের চেয়ে এম ড্যাশ অনেক বেশি মানবিক। এটি এমিলি ডিকিনসনের নিঃশ্বাসের দাগ, ভার্জিনিয়া উলফের চেতনা প্রবাহ, জোয়েল স্টেইনের আত্ম-অহংকারী প্রাসঙ্গিক মন্তব্য সহজেই প্রকাশ করে।

এম ড্যাশ দিক পরিবর্তনের চিহ্ন। যখন হোল্ডেন কলফিল্ড বক্তৃতার সময় তার সহপাঠীরা প্রসঙ্গ থেকে সরে যান, তখন তিনি এম ড্যাশ ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। তিনি বলেন, “কেউ যদি সব সময় মূল বিষয়ে লেগে থাকে তবে আমার ভালো লাগে না। যারা মুখের অভিব্যক্তিতে সেরা নম্বর পেত, তারা সব সময় মূল বিষয়ে লেগে থাকত না।’’

এআই বানানোর লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলগুলো আপনার লেখার একটি বিশাল অংশ নিজেরা নিয়ে নেয়। এই কারণেই তারা এম ড্যাশ ব্যবহার করে।

এম ড্যাশ নিয়ে ভীতি থাকলেও আমাদের আরও বেশি করে এটি ব্যবহার করা উচিত। কারণ বেশিরভাগ মানুষ তাদের কী–বোর্ডে এটি খুঁজে পায় না এবং এম ড্যাশ কখন ব্যবহার করতে হবে তাও জানে না।

এআইয়ের সামনে এক বালক
এআইয়ের সামনে এক বালক

এটি বন্ধনীর চেয়ে কম কাজে লাগে, কিন্তু কমার চেয়ে বেশি। এর দৈর্ঘ্য একটি ‘এম’-এর সমান, যা এটিকে বিরক্তিকর ও ছোট এন ড্যাশ থেকে আলাদা করে। লেখকদের জন্য এটি পুরুষের চেঞ্জিং রুমের মতো।

আমরা এম ড্যাশ নিয়ে হাসিঠাট্টা করি। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের এম ড্যাশ ব্যবহার করা উচিত। কারণ এআইয়ের আক্রমণের মুখে এটি হলো মানবতার প্রতীক। আমরা চাই এটা সাধারণ মানুষ শিখুক।

(লেখাটি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল থেকে নেওয়া)

বিষয়: এআইওপেনএআইচ্যাটজিপিটিকম্পিউটার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্

  • আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    সুপারমার্কেট থেকে দুই শতাংশ চর্বিযুক্ত দুধের একটি বোতল কেনার সময় সাধারণত কেউ আন্তর্জাতিক রাজনীতির কথা ভাবেন না। ক্রেতার প্রত্যাশা থাকে, বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, ভেতরের পণ্যও ঠিক তা-ই হবে। কিন্তু এই সাধারণ আস্থার পেছনেও রয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়ম, মান নির্ধারণ এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের একটি বিস্তৃত

  • অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, বাজেটের আওতাধীন দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজর ২৪৫ কোটি টাকা। একই ধারাবাহিকতায় নভেম্বরের গোড়াতে সরকারি কর্মচারীদেরকে নতুন বেতন স্কেলে অক্টোবর মাসের বেতন