Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০২ নভেম্বর, ২০২৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০২ নভেম্বর, ২০২৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

এআই ও বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা: বদলাও, নয়তো বিপদ সামনে

মাহ্ফুজ সরকার

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৬, ১৯: ৪৫
এআই ও বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা: বদলাও, নয়তো বিপদ সামনে

কয়েক বছর আগেও কোনো শিক্ষার্থী যদি একটি প্রবন্ধ, গবেষণার সারাংশ বা কম্পিউটার প্রোগ্রাম লিখতে চাইত, তবে তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হতো। আজ চ্যাটজিপিটি, জেমিনি কিংবা কোপাইলট-এর মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি কয়েক সেকেন্ডেই সেই কাজ করে দিতে পারে। ফলে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে—তথ্য যখন মুহূর্তেই পাওয়া যায়, তখন শিক্ষার উদ্দেশ্য কী? বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা কি এই নতুন বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত?

Advertisement

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নয়; এটি বর্তমানের বাস্তবতা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪০ শতাংশ চাকরি কোনো না কোনোভাবে এআই-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হবে। অন্যদিকে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডাব্লিউইএফ) ‘ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫’ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে বিশ্বে কোটি কোটি কর্মক্ষেত্র বদলে যাবে; একই সঙ্গে বিশ্লেষণী দক্ষতা, সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধান এবং এআই-স্বাক্ষরতা ভবিষ্যতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হয়ে উঠবে। অর্থাৎ শুধু তথ্য জানলেই চলবে না; তথ্যকে বিশ্লেষণ ও ব্যবহার করার ক্ষমতাই হবে মূল যোগ্যতা।

বাংলাদেশে এই পরিবর্তন আরও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই তরুণ। এই বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীই আগামী কয়েক দশকের শ্রমবাজার নির্ধারণ করবে। কিন্তু আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখনো মূলত পরীক্ষা, মুখস্থবিদ্যা এবং সনদকেন্দ্রিক। শিক্ষার্থীরা কীভাবে চিন্তা করবে, প্রশ্ন করবে বা নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করবে—এই দক্ষতার চেয়ে কীভাবে পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাবে, সেটিই বেশি গুরুত্ব পায়।

‘জব মার্কেট কী হবে সে অনুযায়ী শিক্ষা-দর্শন ঠিক করতে হবে’thumbnailbee_rZFzVLKF3gs_hq

নৃবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শিক্ষা কখনোই শুধু পাঠ্যবই শেখার বিষয় নয়; এটি একটি সমাজ কী ধরনের মানুষ তৈরি করতে চায়, তারও প্রতিফলন। প্রতিটি সমাজ শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজের মূল্যবোধ, জ্ঞান এবং ভবিষ্যতের কল্পনাকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সেই কল্পনাই বদলে যাচ্ছে। যদি একটি যন্ত্র কয়েক সেকেন্ডে রচনা লিখতে পারে, তবে শিক্ষার্থীর প্রকৃত মূল্যায়ন হবে তার মুখস্থ জ্ঞানে নয়, বরং তার প্রশ্ন করার ক্ষমতা, নৈতিক বিচারবোধ, সৃজনশীলতা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান করার দক্ষতায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এখানেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষে এখনো শিক্ষক কথা বলেন, শিক্ষার্থীরা শোনে। পরীক্ষায় বইয়ের ভাষা যত নিখুঁতভাবে পুনরুৎপাদন করা যায়, তত বেশি নম্বর পাওয়া যায়। ফলে শিক্ষা অনেক ক্ষেত্রে জ্ঞান অর্জনের পরিবর্তে তথ্য পুনরাবৃত্তির প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে। অথচ এআই তথ্য পুনরাবৃত্তিতে মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত এবং দক্ষ। তাই যে শিক্ষা মুখস্থবিদ্যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেই শিক্ষা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

নৃবিজ্ঞানী টিম ইঙ্গোল্ড শিক্ষা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন—শিক্ষা হলো পৃথিবীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি প্রক্রিয়া। অর্থাৎ শিক্ষা শুধু উত্তর শেখায় না; শেখায় কীভাবে প্রশ্ন করতে হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কারণ আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পরীক্ষায় ভালো ফল করলেও গবেষণা, উদ্ভাবন কিংবা স্বাধীন চিন্তার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে।

এআই-এর কারণে চাকরিতে ‘মহাবিপর্যয়’ কি সত্যিই আসছে?ai job

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো, এটি বিদ্যমান শিক্ষাগত বৈষম্যকে আরও গভীর করতে পারে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে প্রায় ২৬০ কোটি মানুষ এখনো ইন্টারনেটের বাইরে। বাংলাদেশে বিটিআরসির হিসাবে ইন্টারনেট গ্রাহক ১৩ কোটির বেশি হলেও, উচ্চগতির সংযোগ, ব্যক্তিগত কম্পিউটার এবং এআই-নির্ভর শিক্ষাসেবা ব্যবহারের সুযোগ সবার জন্য সমান নয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যও দেখায়, শহর ও গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইসের এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে।

নৃবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে প্রযুক্তি কখনোই নিরপেক্ষ নয়; এটি সমাজে বিদ্যমান ক্ষমতা ও সম্পদের অসম বণ্টনকে অনেক সময় আরও দৃশ্যমান করে। ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়তো চ্যাটজিপিটি, ক্লদ বা জেমিনি ব্যবহার করে গবেষণা, প্রোগ্রামিং কিংবা ভাষা শেখার সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে চরাঞ্চল বা পাহাড়ি অঞ্চলের একজন শিক্ষার্থী দুর্বল ইন্টারনেট, স্মার্ট ডিভাইসের অভাব কিংবা ডিজিটাল দক্ষতার সীমাবদ্ধতার কারণে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে একই পাঠ্যক্রম অনুসরণ করলেও তাদের শেখার বাস্তবতা এক নয়। যদি রাষ্ট্র এখনই ডিজিটাল অবকাঠামো, এআই-স্বাক্ষরতা এবং প্রযুক্তিতে সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষায় সমতা আনার পরিবর্তে বিদ্যমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকেই নতুন প্রযুক্তিগত বৈষম্যে রূপান্তরিত করবে।

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা দেশে বেকারত্ব বাড়াচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী মিলনchaarcha-logo-dev

তবে এই পরিবর্তনকে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ইতিহাস বলে, প্রতিটি নতুন প্রযুক্তিই শিক্ষা ব্যবস্থাকে বদলেছে। ছাপাখানার আবিষ্কার যেমন বইকে সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছিল, ইন্টারনেট যেমন জ্ঞানকে বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত করেছে, তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও শিক্ষাকে আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক, দ্রুত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পারে। একজন শিক্ষার্থী নিজের গতিতে শিখতে পারবে, দুর্বল বিষয়গুলো নিয়ে আলাদা অনুশীলন করতে পারবে এবং মাতৃভাষায়ও জটিল বিষয় সহজে বুঝতে পারবে।

তাই বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সামনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো এআই-কে নিষিদ্ধ করা নয়; বরং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার শেখানো। বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই-স্বাক্ষরতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শেখাতে হবে কোন কাজ এআই করতে পারে, কোন কাজ মানুষেরই করতে হবে এবং এআই-নির্ভর তথ্য কীভাবে যাচাই করতে হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষা পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। মুখস্থনির্ভর প্রশ্নের পরিবর্তে বিশ্লেষণ, যুক্তি, সৃজনশীলতা এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানভিত্তিক মূল্যায়ন বাড়াতে হবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন প্রযুক্তি নয়; মানুষ। আমরা কি এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারব, যেখানে প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প হবে না, বরং তার সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে? যদি পারি, তবে এআই বাংলাদেশের জন্য হুমকি নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। কিন্তু যদি আমরা এখনো শুধু মুখস্থবিদ্যা আর সনদকেন্দ্রিক শিক্ষায় আটকে থাকি, তাহলে ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে আমাদের তরুণরাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই সময়ের দাবি একটাই—শিক্ষাকে তথ্যনির্ভর নয়, চিন্তানির্ভর করতে হবে। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তথ্য নয়; মানুষের সৃজনশীল চিন্তা।

বিষয়: চাকরিতথ্যপ্রযুক্তিপ্রযুক্তিশিক্ষাএআইশিক্ষার্থীশিক্ষকশিক্ষাক্রম
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্

  • আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    সুপারমার্কেট থেকে দুই শতাংশ চর্বিযুক্ত দুধের একটি বোতল কেনার সময় সাধারণত কেউ আন্তর্জাতিক রাজনীতির কথা ভাবেন না। ক্রেতার প্রত্যাশা থাকে, বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, ভেতরের পণ্যও ঠিক তা-ই হবে। কিন্তু এই সাধারণ আস্থার পেছনেও রয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়ম, মান নির্ধারণ এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের একটি বিস্তৃত

  • অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, বাজেটের আওতাধীন দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজর ২৪৫ কোটি টাকা। একই ধারাবাহিকতায় নভেম্বরের গোড়াতে সরকারি কর্মচারীদেরকে নতুন বেতন স্কেলে অক্টোবর মাসের বেতন