
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই একটি আন্তর্জাতিক শহর। এখানে বিভিন্ন দেশের মানুষ বাস করে। এই শহরে একটি বিশেষ এলাকা রয়েছে, যেটিকে বাংলাদেশিরা এক টুকরো বাংলাদেশ বলতে পারেন। এই এলাকার নাম ‘ইন্টারন্যাশনাল সিটি’।
দুবাইয়ে বিশাল জায়গাজুড়ে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল সিটি। ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে দুবাই শহরে গড়ে তোলা হয়েছে সুপরিকল্পিত এই আবাসিক এলাকা। এটি দুবাইয়ের একটি জনবহুল এলাকা। এখানে বসবাস করেন প্রায় এক লাখেরও বেশি নাগরিক।
স্বল্প ব্যয়ে আবাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে দুবাইয়ের প্রাণকেন্দ্রে প্রায় ২০ বছর আগে নির্মাণ করা হয় ইন্টারন্যাশনাল সিটি। ভিন্নধর্মী এই শহরটি ১০টি দেশের নামে আলাদা ক্লাস্টারে বিভক্ত। ৮০০ হেক্টর জায়গায় নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন উচ্চতার ৪৮৫টি ভবন।
চীন, মরক্কো, রাশিয়া, ফ্রান্স, গ্রিস, ইংল্যান্ড, স্পেন ও ইতালিসহ ১০টি দেশের নামে আবাসন প্রকল্পটি বিভক্ত ১০টি আলাদা ক্লাস্টারে। দেশগুলোর নকশায় করা হয়েছে ভবনগুলো।
ইন্টারন্যাশনাল সিটির একদিকে দুবাইয়ে বিখ্যাত সবজি বাজার, অন্যদিকে চীনা শপিং মল ড্রাগন মার্ট। এখানে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশই বাস করেন ইন্টারন্যাশনাল সিটিতে। অনেকে থাকেন পরিবার-পরিজন নিয়ে।
এই শহরটি ঘিরে আয়ের পথ সুগম হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
এ ছাড়া, কর্মস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় বসবাসের জন্য ইন্টারন্যাশনাল সিটি বেছে নিয়েছেন অনেক বাংলাদেশি। তাদের পাশাপাশি শহরটিতে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরাও বাস করেন। মনোরম পরিবেশ ও নিরাপত্তা বিবেচনায় ইন্টারন্যাশনাল সিটি এখন সবার কাছে সমাদৃত।
ইন্টারন্যাশনাল সিটিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বাস করেন। প্রতিনিয়ত বাড়ছে বাংলাদেশিদের সংখ্যা। অনেকের কাছে এটি বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা।
প্রবাসীদের একজন বললেন, ‘এখানে বেশির ভাগই বাংলাদেশি যার ফলে এখানে বাংলাদেশিদের সাথে মিশে থাকা যায়।’
ইন্টারন্যাশনাল সিটির বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও খাবারের পাশাপাশি রয়েছে নানা সুযোগ-সুবিধা। আছে বাংলাদেশি মসজিদ, স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালসহ বাংলাদেশিদের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখানে পরিচালনা করছেন সুপার শপ, হোটেল ও রেস্তোরাঁ। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁয় ২০০৯ সালে কাজ শুরু করেন আবদুল মান্নান।
তিনি জানালেন, ওই রেস্তোরাঁয় দিনে প্রায় ৩ হাজার কাপ চা বিক্রি হয়। অন্য প্রতিষ্ঠানেও সারা দিন ক্রেতার ভিড় লেগেই থাকে।
আবদুল মান্নান বলেন, ‘বিকেলবেলা প্রায় ৩ হাজার কাপের কাছাকাছি চা বিক্রি হয়।’
রেস্তোরাঁয় কর্মরত আরেকজন বলেন, ‘আমাদের এখানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের কাস্টমার এখানে আসে।’

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।