
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের ব্রিসবেন ও গোল্ডকোস্টে বসবাসরত ঢাকার নটর ডেম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আনন্দঘন প্রাতরাশ মিলনমেলা।
গত সোমবার সকালে গোল্ডকোস্টের মনোরম সালাসিয়া ওয়াটার্স কাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এই প্রাণবন্ত আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বুরহান উদ্দিন। তিনিও নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী হওয়ায় অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে বাড়তি আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।
নদীর পাড়ের মনোরম পরিবেশে আয়োজিত এ মিলনমেলায় নবীন-প্রবীণ নটর ডেমিয়ানরা একত্রিত হয়ে ফিরে যান কলেজ জীবনের সোনালি দিনগুলোর স্মৃতিতে। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় সকালজুড়েই চলে প্রাণখোলা আড্ডা, হাসি-আনন্দ ও পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন যীশু দাস। পরিচয়পর্ব শেষে শুরু হয় স্মৃতিচারণ ও মুক্ত আলোচনা।
ডা. সৈকত, আতিক ও অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আতিফুর রহমান জেরিন তাদের কলেজ জীবনের নানা ঘটনা ও স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। তাদের হাস্যরসাত্মক ও আবেগঘন স্মৃতিচারণে উপস্থিত সবাই যেন ফিরে যান নটর ডেম কলেজের সেই সোনালি দিনগুলোতে।

হাইকমিশনার এফ এম বুরহান উদ্দিন উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং নটর ডেম জীবনের নানা স্মৃতি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। একই সঙ্গে নিজের কলেজজীবনের স্মৃতিও সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।
মিলনমেলায় শুধু স্মৃতিচারণ ও আনন্দ-আড্ডাই নয়, নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উঠে আসে।
নটর ডেম কলেজের জন্য একটি ডিফিব্রিলেটর স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যায় কি না, এ বিষয়ে প্রস্তাবনা পেশ করেন ডা. সাজিদুল ইসলাম। প্রস্তাবটির প্রতি উপস্থিত নটর ডেমিয়ানরা ইতিবাচক সাড়া দেন।
অধ্যাপক ডা. আতিফুর রহমান জেরিনসহ উপস্থিত সবাই এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি হৃদ্যন্ত্রজনিত পরিস্থিতিতে দ্রুত জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা নটর ডেম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আরও বৃহত্তর পরিসরে একত্রিত করার বিষয়ে একমত হন। নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নটর ডেমিয়ানদের পারস্পরিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
মিলনমেলায় উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও নটর ডেমিয়ান অধ্যাপক ডা. আতিফুর রহমান জেরিন, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ইশতিয়াক আমিন পাপ্পু, ব্রিসবেনের জনপ্রিয় সাহিত্যিক মোস্তাফিজুর রহমান টিটু, ডা: সৈকত, কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দেওয়ান মুস্তাফিজুর রহমান, অস্ট্রেলিয়ার রিজার্ভ সেনাবাহিনীতে কর্মরত তাহসিন, আতিক, ফেডারেল ডিরেক্টর তৌহিদ, অর্থনীতিবিদ তারেক ইসলামসহ প্রায় ২৩ জন নটর ডেমিয়ান।

এ ছাড়া সিডনি থেকে অনুষ্ঠানে যোগ দেন নটর ডেম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সভাপতি ডা. সাজিদুল ইসলাম।
প্রাতরাশের আয়োজন শেষে মিলনমেলার আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয় অধ্যাপক ডা. আতিফুর রহমান জেরিনের বাসায় আয়োজিত চা-চক্র। সেখানে আবারও চলে প্রাণখোলা আড্ডা ও স্মৃতিচারণ।
এরপর উপস্থিত অতিথিদের জন্য নদীতে নৌ ভ্রমণেরও আয়োজন করেন ডা. জেরিন। মনোরম নদীর বুকে নৌভ্রমণ, চা-চক্র, আড্ডা ও পুরনো দিনের স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় নটর ডেমিয়ানদের এ ঘটনাবহুল ও আনন্দঘন মিলনমেলা।
আয়োজকদের মতে, প্রবাসে থেকেও নটর ডেম কলেজের ঐতিহ্য, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন অটুট রাখতেই এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নটর ডেমিয়ানদের নিয়ে এমন মিলনমেলার আয়োজনের প্রত্যাশা নিয়েই শেষ হয় এবারের আয়োজন।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।