
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
চরচা প্রবাস ডেস্ক

বিদেশি কর্মী সরবরাহের কোটা জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ বাংলাদেশিসহ ২০ জনকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)।
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির তামান দাতুক আহমাদ রাজালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম মালয় মেইল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সকাল সাড়ে ৭টায় এই অভিযান শুরু হয়। পুত্রজায়ায় অবস্থিত অভিবাসন সদর দপ্তরের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশন এবং ইনল্যান্ড রেভিনিউ বোর্ডের (আইআরবি) দুটি বিভাগ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। তিনি বলেন, জনসাধারণের দেওয়া তথ্য এবং অভিবাসন বিভাগের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি পুরুষ। তারা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটির মালিক ও ব্যবস্থাপক বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, ৬ জন স্থানীয় নারী কর্মী এবং ১২ জন বিদেশি গ্রাহক রয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি পুরুষ ও ৩ জন ইন্দোনেশীয় নারী।”
আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে দাতুক জাকারিয়া বলেন, অভিযান পরিচালনাকারী দল ২৬৫টি বাংলাদেশি, ৬৩টি ইন্দোনেশীয়, ১২টি পাকিস্তানি এবং ১টি ভারতীয় পাসপোর্ট জব্দ করেছে। একই সঙ্গে ৬ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ান মুদ্রা) জব্দ করা হয়েছে, যা গ্রাহকদের দেওয়া অর্থ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি ‘এ-টু-বি’ নামের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করত। এর মাধ্যমে একটি কোম্পানি (চাকরিদাতা এ) বিদেশি কর্মী আনার অনুমোদন নিত এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাসের (পিএলকেএস) অধীনে কর্মীদের নিয়ে আসত। কিন্তু পরে এই কর্মীদের আসল মালিকের হয়ে কাজ করার বদলে লাভের বিনিময়ে অন্য কোম্পানিতে (চাকরিদাতা বি) সরবরাহ করা হতো।
দাতুক জাকারিয়া আরও বলেন, বিদেশি কর্মী কোটার অনুমোদন পেতে চক্রটি কোম্পানিগুলোর ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিল বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।
পরবর্তী অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশে আনা বিদেশি কর্মীরা কোটার জন্য আবেদন করা কোম্পানিগুলোর হয়ে কাজ করত না। এর বদলে তারা স্বাধীনভাবে অন্য কোম্পানিতে কাজ করত।
দাতুক জাকারিয়া বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এই কাজের মাধ্যমে প্রত্যেক কর্মীকে মালয়েশিয়ায় এনে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত লাভ করা হতো। কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য জড়িত কোম্পানিগুলো তাদের আসল আয়ের চেয়ে অনেক কম লাভ দেখাত। এ ছাড়া, তারা ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নিজেদের ব্যক্তিগত আয়ের হিসাবও জমা দেয়নি।
তিনি বলেন, যারা বিদেশি কর্মী কোটার অপব্যবহার করে পরিকল্পনা সাজায়, পরিচালনা করে এবং মুনাফা অর্জন করে, তাদেরসহ সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রাখবে।
সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর
মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন
‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’
‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’
চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।