Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> প্রবাস

অস্ট্রেলিয়ায় মিলছে ডেঙ্গুর টিকা কিউডেঙ্গা, স্বস্তিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া থেকে

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৫: ৩০
অস্ট্রেলিয়ায় মিলছে ডেঙ্গুর টিকা কিউডেঙ্গা, স্বস্তিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা
ছবি: পেক্সেলস

বাংলাদেশসহ ডেঙ্গুপ্রবণ দেশগুলোতে ভ্রমণকারী অস্ট্রেলিয়াবাসীদের জন্য এসেছে স্বস্তির খবর। মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত ‘কিউডেঙ্গা’ (Qdenga) টিকা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বেসরকারি ব্যবস্থায় প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিজিএ) ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে টিকাটির নিবন্ধন অনুমোদন দেয় এবং দেশটির অস্ট্রেলিয়ান টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (এটিএজিআই) ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কিউডেঙ্গার ব্যবহার নিয়ে সর্বশেষ ক্লিনিক্যাল নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। অক্টোবর ২০২৬ থেকে এটি অস্ট্রেলিয়ায় প্রাইভেট প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।

Advertisement

ডেঙ্গু নিয়ে বিশেষ উদ্বেগে থাকা অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য খবরটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছর ছুটির মৌসুমে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার-পরিজন নিয়ে বাংলাদেশে যান। দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর খবর তাদের অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ তৈরি করে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে। নতুন এই টিকা ভ্রমণের আগে চিকিৎসকের সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধের পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত বিকল্প তৈরি করেছে।

সিডনির লাকেম্বার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইরফান খান বলেন, “সামনে লম্বা ছুটিতে সন্তানদের নিয়ে দেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। বাংলাদেশে ডেঙ্গুর যে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায়, তাতে মন সব সময় ভয়ে থাকে। অস্ট্রেলিয়ায় এই টিকা পাওয়া যাচ্ছে, এটা আমাদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজন হলে বাচ্চাদের আগেই টিকা দিতে চাই।”

আরেক প্রবাসী সৈয়দ আশরাফ আহমেদ বলেন, “ডেঙ্গু এখন শুধু সাধারণ জ্বরের বিষয় নয়। পরিচিতজনদের অসুস্থতা কিংবা মৃত্যুর খবর শুনলে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক তৈরি হয়। দেশে যাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চার বছর বয়স থেকেই নেওয়া যাবে

অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ এটিএজিআই নির্দেশনা অনুযায়ী, ৪ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের জন্য কিউডেঙ্গা নিবন্ধিত। এটি একটি ‘লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড টেট্রাভালেন্ট’ ভ্যাকসিন, অর্থাৎ ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি serotype-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করে।

সম্পূর্ণ টিকাদান কোর্সে ০ দশমিক ৫ মিলিলিটারের দুটি ডোজ দেওয়া হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের মধ্যে ন্যূনতম ১২ সপ্তাহ বা তিন মাস ব্যবধান রাখতে হয়। এটিএজিআই বলছে, সর্বোচ্চ ও দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা পেতে দুটি ডোজই সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই।

ভারতে অনুমোদন পেল প্রথম ডেঙ্গু ভ্যাকসিন ‘কিউডেঙ্গা’vaccine

কারা টিকা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবেন

এটিএজিআইয়ের সুপারিশ অনুযায়ী, আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ বা চিকিৎসকের বিবেচনায় সম্ভাব্য ডেঙ্গু-ইতিহাস রয়েছে, এমন ৪ বছর বা তার বেশি বয়সী কেউ ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকায় ভ্রমণ করলে কিউডেঙ্গা নেওয়ার সুপারিশ রয়েছে।

যাদের আগে ডেঙ্গু হয়নি, কিন্তু ডেঙ্গুপ্রবণ দেশে দীর্ঘমেয়াদি, বারবার বা দীর্ঘ সময়ের জন্য ভ্রমণের পরিকল্পনা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও টিকা নেওয়ার সুপারিশ রয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের ক্ষেত্রে আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত না হওয়া ব্যক্তিদের জন্য টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ব্যক্তিভেদে ঝুঁকি ও সুফল বিবেচনা করে নেওয়া যেতে পারে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশে এক-দুই সপ্তাহের পারিবারিক সফরে যাচ্ছেন এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য টিকাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক বা সুপারিশকৃত নয়। গন্তব্যের ডেঙ্গু পরিস্থিতি, সফরের সময়কাল, মশার সংস্পর্শের সম্ভাবনা, ভবিষ্যতে পুনরায় ভ্রমণের পরিকল্পনা এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ রয়েছে।

আগের ডেঙ্গু সংক্রমণের পরীক্ষা কি সবার প্রয়োজন?

এটিএজিআই জানিয়েছে, কিউডেঙ্গা দেওয়ার আগে অতীতে ডেঙ্গু হয়েছিল কি না তা জানতে রুটিন রক্ত পরীক্ষা বা serology করার সুপারিশ নেই। চিকিৎসক রোগীর পূর্ববর্তী অসুস্থতার ইতিহাস ও ভ্রমণের তথ্য বিবেচনা করে সম্ভাব্য পূর্ববর্তী ডেঙ্গু সংক্রমণ নির্ধারণ করতে পারেন।

টিকাটি কতটা কার্যকর?

এটিএজিআইয়ের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, তৃতীয় ধাপের একটি বড় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে টিকা নেওয়ার ১২ মাস পর virologically confirmed dengue-এর বিরুদ্ধে কিউডেঙ্গার vaccine efficacy ছিল প্রায় ৮০ দশমিক ২ শতাংশ। একই গবেষণার দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলে ৪ দশমিক ৫ বছর পর্যন্ত ডেঙ্গুজনিত হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বিরুদ্ধে প্রায় ৯৩ দশমিক ৭ শতাংশ কার্যকারিতা দেখা গেছে। তবে এই দীর্ঘমেয়াদি হসপিটালাইজেশন তথ্য মূলত ৪–১৬ বছর বয়সী immunocompetent অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পাওয়া।

এটিএজিআই আরও জানিয়েছে, টিকার সুরক্ষা আগের ডেঙ্গু সংক্রমণের ইতিহাস অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। ডেঙ্গুতে আগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কার্যকারিতা কিছুটা বেশি দেখা গেছে।

বাংলাদেশগামী প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্বাস্থ্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশটিতে শনাক্ত হওয়া প্রায় সব ডেঙ্গু সংক্রমণই বিদেশ ভ্রমণের মাধ্যমে অর্জিত। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও বৃহত্তর ইন্দো–প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ অস্ট্রেলীয় ভ্রমণকারীদের জন্য ডেঙ্গুর গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্য।

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ১০ জনেরdengu 2

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি প্রধান serotype রয়েছে। এক ধরনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর সেই serotype-এর বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হলেও অন্য serotype-এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা সীমিত সময়ের। দ্বিতীয়বার ভিন্ন serotype-এ আক্রান্ত হলে গুরুতর ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। গুরুতর ডেঙ্গুতে রক্তক্ষরণ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমস্যা, শক এবং মৃত্যুও হতে পারে।

টিকা নিলেও মশা থেকে সাবধানতা জরুরি

চিকিৎসকদের জন্য এটিএজিআইয়ের নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, টিকা নেওয়ার পরও মশার কামড় এড়িয়ে চলার ব্যবস্থা বন্ধ করা যাবে না। দীর্ঘ হাতার পোশাক, কার্যকর মশা প্রতিরোধক ব্যবহার, মশারি বা স্ক্রিন ব্যবহার এবং বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ—এসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।

কিউডেঙ্গা একটি লাইভ ভ্যাকসিন হওয়ায় কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যাবে না। বিশেষ করে immunocompromised ব্যক্তিদের জন্য এটি contraindicated এবং গর্ভাবস্থায় সাধারণভাবে এটি সুপারিশ করা হয় না। তাই শিশুদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও অভিভাবকদের অবশ্যই জিপি বা ভ্রমণ-স্বাস্থ্য বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

অস্ট্রেলিয়ায় টিকার বর্তমান অবস্থান

টিজিএর তথ্য অনুযায়ী, কিউডেঙ্গা অস্ট্রেলিয়ায় চলতি ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল নিবন্ধিত হয় এবং এটি প্রেসক্রিপশন মেডিসিন হিসেবে শ্রেণিভুক্ত। টিকাটি বর্তমানে ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রামের (এনআইপি) অর্থায়নে নেই; অর্থাৎ সাধারণভাবে এর জন্য ব্যক্তিগতভাবে খরচ করতে হবে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইট হেলথডাইরেক্টও অস্ট্রেলিয়ায় কিউডেঙ্গা পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এবং ডেঙ্গুপ্রবণ দেশে যাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে টিকা নিয়ে আলোচনা করার পরামর্শ দিয়েছে।

সুতরাং বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে কয়েক মাস আগে জিপি বা ট্রাভেল মেডিসিন ক্লিনিকের সঙ্গে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পূর্ণ দুই ডোজের কোর্স সম্পন্ন করতে প্রথম ডোজের পর দ্বিতীয় ডোজের জন্য অন্তত ১২ সপ্তাহ সময় প্রয়োজন। তবে যাত্রার আগে কেবল একটি ডোজ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শে সেটি দেওয়া যেতে পারে; পরবর্তী ডোজের পরিকল্পনা করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এটিএজিআই।

বিষয়: প্রবাসীচিকিৎসাঅস্ট্রেলিয়াটিকাডেঙ্গুবাংলাদেশি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব

    অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব

    অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

  • খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?

    খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?

    খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

  • মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ

    মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক

    আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক

    আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।