
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে ফেডারেল বিচারকদের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। এই বিচারকেরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার নির্বাহী আদেশ স্থগিত করতে দেশব্যাপী আদেশ জারি করেছিলেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার (২৭ জুন) ৬-৩ ভোটে কনজারভেটিভ বিচারপতিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষেই রায় দেয়। এ ছাড়া, মেরিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস ও ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল বিচারকদের দেওয়া দেশব্যাপী স্থগিতাদেশগুলো পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেয়। বিচারপতি অ্যামি কনি ব্যারেট এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি বলেন, ‘কোনো বিতর্ক নেই যে, নির্বাহী বিভাগকে আইন অনুসরণ করতে হয়, কিন্তু বিচার বিভাগের ক্ষমতা সীমাহীন নয়—কোনো কোনো সময় আইনই বিচার বিভাগকে নিরুৎসাহিত করে।’ আদালত রায়ে আরও জানায়, ট্রাম্পের নির্দেশনা তাৎক্ষণিক কার্যকর হবে না। আজকের রায়ের ৩০ দিন পর তা কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে কী ছিল?
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পদে ফিরে আসার প্রথম দিনেই ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যেখানে বলা হয়, ‘যেসব শিশুর বাবা-মা একজনও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী নন, তারা যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলেও নাগরিকত্ব পাবে না।’
ট্রাম্পের এই আদেশের বিরুদ্ধে ২২টি অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্রেট অ্যাটর্নি জেনারেল, অভিবাসী অধিকারকর্মী ও অভিবাসী গর্ভবতী নারীরা মামলা করেছিলেন। এই আদেশ বাস্তবায়িত হলে বছরে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি নবজাতক নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হতো বলে মামলাকারীরা অভিযোগ করেন। তাদের বক্তব্য ছিল, ট্রাম্পের আদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৮৬১-৬৫ সালের গৃহযুদ্ধের পর ১৮৬৮ সালে এই সংশোধনীটি অনুমোদিত হয়েছিল। ১৮৬৮ সালে দাসপ্রথা-পরবর্তী সময়ে গৃহযুদ্ধের পর গৃহীত ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেকেই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে।
তখন ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, ১৪তম সংশোধনী অবৈধ অভিবাসী কিংবা অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত ব্যক্তিদের সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তারা যুক্তি দেয়, ১৮৯৮ সালের ‘ইউনাইটেড স্টেটস বনাম ওং কিম আর্ক’ মামলার রায় কেবল তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যাদের অভিভাবকদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী আবাস ও বসবাস ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন সে সময় মামলাটিকে এমনভাবে আদালতে উপস্থাপন করেছিল, যেন বিচারকেরা কোনো নীতিকে ন্যাশনওয়াইড বা সর্বজনীনভাবে স্থগিত করতে না পারেন। এর আগে বিভিন্ন প্রশাসন, এমনকি ডেমোক্রেটিক প্রশাসনও এই জাতীয় সর্বজনীন আদেশের বিরোধিতা করেছে।
১১-১২ জুনের রয়টার্স/ইপসোস পোলে দেখা গেছে, উত্তরদাতাদের মধ্যে ২৪ শতাংশ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের পক্ষে ও ৫২ শতাংশ এর বিপক্ষে। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ৫ শতাংশ বাতিলের পক্ষে এবং ৮৪ শতাংশ এর বিপক্ষে ছিল। রিপাবলিকানদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ বাতিলের পক্ষে এবং ২৪ শতাংশ এর বিপক্ষে ছিল। অন্যরা অনিশ্চিত ছিলেন বা প্রশ্নের উত্তর দেননি।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।