
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
যুক্তরাজ্যের ইকোনোমিক সেক্রেটারির (মন্ত্রী) পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন টিউলিপ সিদ্দিক। তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে। টিউলিপ ব্রিটিশ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে দ্য গার্ডিয়ান, রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, টিউলিপের খালা বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আর্থিক সম্পর্কের বিষয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠায় টিউলিপ সিদ্দিক মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বেশ কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এসব প্রতিবেদনে টিউলিপের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া একাধিক সম্পত্তিতে বসবাসসহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়।
গত সপ্তাহে টিউলিপ নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানান। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (ইন্ডিপেনডেন্ট অ্যাডভাইজার অব মিনিস্ট্রিয়াল স্ট্যান্ডার্ডস) লাউরি ম্যাগনাসকে দেওয়া চিঠিতে টিউলিপ কোনো আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন কি না তা খতিয়ে দেখতে বলেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কাছে লেখা পদত্যাগপত্রে টিউলিপ বলেন, মন্ত্রী পর্যায়ের মানদণ্ড বিষয়ক উপদেষ্টা লাউরি ম্যাগনাস বিষয়টি পর্যালোচনা করার পর নিশ্চিত করেছেন যে টিউলিপ নিয়ম লঙ্ঘন করেননি।
টিউলিপকে দেওয়া স্টারমারের অফিসের চিঠিতে বলা হয়, আপনার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে আমি আরও স্পষ্ট করে বলতে চাই যে উপদেষ্টা হিসেবে স্যার লাউরি ম্যাগনাস আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি মন্ত্রীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের এবং আর্থিক অনিয়মের কোনো প্রমাণ পাননি।
কিয়ার স্টারমার টিউলিপকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তার পরিবারের সম্পর্কের কারণে মানহানির ঝুঁকির বিষয়ে তিনি আরও সচেতন থাকতে পারতেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে তার চলমান দায়িত্বের বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারতেন।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।