
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বাণিজ্যিক নগরী দুবাইয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোনার বারের প্রদর্শনী হয়েছে। শহরের ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণের বাজার গোল্ড সুক এক্সটেনশন কর্তৃপক্ষ এ আয়োজন করে। সংবাদমাধ্যম অ্যারাবিয়ান বিজনেসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া বারটির ওজন ৩০০ কেজির বেশি। এর মালিক আরব ধনকুবের এসা আল ফালাসির মালিকানাধীন খনি কোম্পানি এমিরেটস মিন্টিং ফ্যাক্টরি।
আয়োজকরা বলছেন, এ প্রদর্শনী দুবাইকে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর ক্ষেত্রে একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরেছে।
গত শনিবার শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী রোববার শেষ হয়। দুদিনের এ আয়োজনে দর্শনার্থীরা রেকর্ডধারী স্বর্ণবারটি কাছ থেকে দেখার বিরল সুযোগ পান। এ ছাড়া ব্যতিক্রমী বারটির সঙ্গে ছবি তুলে স্মৃতিময় মুহূর্ত ধারণ করেন। এটি গোল্ড সুক এক্সটেনশনের এমিরেটস মিন্টিং ফ্যাক্টরি শপের সামনে প্রদর্শিত হয়।
এর আগে জাপানে ২৫০ কেজি ওজনের একটি স্বর্ণবার প্রদর্শন করা হয়েছিল। সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দুবাইয়ের প্রদর্শনীটির আয়োজন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।