
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
কুয়েতে রমজানের রোজার সময় প্রকাশ্যে খাবার খেলে বা পান করলে শাস্তি হিসেবে জেল ও জরিমানা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কুয়েতে রোজার সময় অসুস্থতা বা ভ্রমণের মতো যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকাশ্যে খাবার খেলে একজন ব্যক্তির এক মাসের কারাদণ্ড বা ১০০ কুয়েতি দিনার ( বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৮ হাজার ৯৮২ টাকা) জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রণীত আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী এ শাস্তি দেওয়া হবে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, আইনটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কোনো প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি প্রকাশ্যে রোজার সময় খাবার খায় তাহলে তা দুই মাসের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এদিকে কুয়েত মিউনিসিপ্যালিটি বিভাগ রমজানে দোকান এবং রেস্তোরাঁ পরিচালনার সময় সম্পর্কেও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, সূর্যাস্তের দুই ঘণ্টা আগে ইফতারের প্রস্তুতির জন্য খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁ খোলা যাবে।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।