চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর হাতিরঝিলে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুদুটি একই পরিবারের এবং সম্পর্কে ভাই, বোন।
মৃত এক শিশুর নাম ইলহাস চৌধুরী, তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ মাস। ইলহাসের বোন আফ্রিদা চৌধুরীও (১০) মারা গেছে।
গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। আজ রোববার সকালে শিশুদুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
রোববার সকালের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক মো. সুমন মিয়া। তিনি বলেন, “গতকাল দুপুরের দিকে খবর পেয়ে একজনের মরদেহ মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতাল এবং অন্যজনের মরদেহ রাশমনো হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করি। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।”
সুমন মিয়া জানান, গতকাল শনিবার দুপুরে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুদুটি। দুই শিশুর পরিবারের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে এই তথ্য জানা গেছে। পরে নিকটাত্মীয়রা তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাতিরঝিল থানার এই উপপরিদর্শক বলেন, স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুদুটির মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর হাতিরঝিলে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুদুটি একই পরিবারের এবং সম্পর্কে ভাই, বোন।
মৃত এক শিশুর নাম ইলহাস চৌধুরী, তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ মাস। ইলহাসের বোন আফ্রিদা চৌধুরীও (১০) মারা গেছে।
গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। আজ রোববার সকালে শিশুদুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
রোববার সকালের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক মো. সুমন মিয়া। তিনি বলেন, “গতকাল দুপুরের দিকে খবর পেয়ে একজনের মরদেহ মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতাল এবং অন্যজনের মরদেহ রাশমনো হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করি। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।”
সুমন মিয়া জানান, গতকাল শনিবার দুপুরে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুদুটি। দুই শিশুর পরিবারের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে এই তথ্য জানা গেছে। পরে নিকটাত্মীয়রা তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাতিরঝিল থানার এই উপপরিদর্শক বলেন, স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুদুটির মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।