বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের বানারীপাড়ায় জলাশয় থেকে মুদি ব্যবসায়ী মো. তৈয়ব বাহাদুর নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তৈয়ব উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের মলুহার গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উদয়কাঠী বাজারে মুদি দোকান ও বিকাশের ব্যবসা করতেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত দোকানে কাজ শেষ করে তিনি লেনদেনের টাকা সঙ্গে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি জলাশয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো এবং দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আজ রোববার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে।
উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন উর-রশিদ স্বপন জানান, রাত ১১টার কিছু আগে পর্যন্ত তিনি তৈয়বের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে রাতের মধ্যে তার এমন পরিণতি হওয়ায় বিষয়টি সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের পাশ থেকে চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগে কিছু টাকা পাওয়া গেলেও ব্যবসার বড় অঙ্কের টাকা রাখা ব্যাগটি পাওয়া যায়নি। এতে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হতে পারে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে কাজ চলছে।

বরিশালের বানারীপাড়ায় জলাশয় থেকে মুদি ব্যবসায়ী মো. তৈয়ব বাহাদুর নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তৈয়ব উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের মলুহার গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উদয়কাঠী বাজারে মুদি দোকান ও বিকাশের ব্যবসা করতেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত দোকানে কাজ শেষ করে তিনি লেনদেনের টাকা সঙ্গে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি জলাশয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো এবং দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আজ রোববার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে।
উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন উর-রশিদ স্বপন জানান, রাত ১১টার কিছু আগে পর্যন্ত তিনি তৈয়বের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে রাতের মধ্যে তার এমন পরিণতি হওয়ায় বিষয়টি সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের পাশ থেকে চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগে কিছু টাকা পাওয়া গেলেও ব্যবসার বড় অঙ্কের টাকা রাখা ব্যাগটি পাওয়া যায়নি। এতে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হতে পারে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।