চরচা প্রতিবেদক

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামাদের পরিচয় শনাক্তকরণে নতুন অগ্রগতি এসেছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। আজ সোমবার সিআইডির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধসংলগ্ন কবরস্থানে মরদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত ও শনাক্তকরণ কার্যক্রমের পর এই তথ্য জানা যায়।
শনাক্তরা হলেন- ফয়সাল সরকার, পারভেজ বেপারী, রফিকুল ইসলাম, মাহিম, সোহেল রানা, আসানুল্লাহ, কাবিল হোসেন এবং রফিকুল ইসলাম।
সিআইডি জানায়, পরিচয় শনাক্তে মোট ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে ফরেনসিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকেরা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।
একই সঙ্গে সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়। এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নমুনার সঙ্গে মরদেহের ডিএনএ প্রোফাইল মিলিয়ে ৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিআইডি আরও জানায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং আদালতের নির্দেশে পরিচালিত এই কার্যক্রমে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. লুইস ফনডেব্রিডারের নেতৃত্বে মিনেসোটা প্রটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিখোঁজদের পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামাদের পরিচয় শনাক্তকরণে নতুন অগ্রগতি এসেছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। আজ সোমবার সিআইডির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধসংলগ্ন কবরস্থানে মরদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত ও শনাক্তকরণ কার্যক্রমের পর এই তথ্য জানা যায়।
শনাক্তরা হলেন- ফয়সাল সরকার, পারভেজ বেপারী, রফিকুল ইসলাম, মাহিম, সোহেল রানা, আসানুল্লাহ, কাবিল হোসেন এবং রফিকুল ইসলাম।
সিআইডি জানায়, পরিচয় শনাক্তে মোট ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে ফরেনসিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকেরা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।
একই সঙ্গে সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়। এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নমুনার সঙ্গে মরদেহের ডিএনএ প্রোফাইল মিলিয়ে ৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিআইডি আরও জানায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং আদালতের নির্দেশে পরিচালিত এই কার্যক্রমে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. লুইস ফনডেব্রিডারের নেতৃত্বে মিনেসোটা প্রটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিখোঁজদের পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।