চরচা প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে তা জানাতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
বৈঠকটি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হবে।
এদিন বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে টেলিফোনে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
এদিকে, এরইমধ্যে শুরু হয়েছে ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে ছুটছেন কর্মজীবীরা।

পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে তা জানাতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
বৈঠকটি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হবে।
এদিন বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে টেলিফোনে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
এদিকে, এরইমধ্যে শুরু হয়েছে ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে ছুটছেন কর্মজীবীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।