চরচা প্রতিবেদক

আগামী ২২ কার্যদিবসের মধ্যে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণিা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেছেন, “সরকার ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চেয়েছে। আমরা ৩০ কার্যদিবস সময় দিয়েছিলাম; আর বাকি আছে ২২ দিন। আমরা ওই কার্যদিবস ধরেই আগাইতেছি।”
জাবের বলেন, “এর মধ্যে যদি সরকার এই খুনের বিচারকাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করব।”
জাবের আরও বলেন, “৭ জানুয়ারির মধ্যে শুধু খুন যারা করেছেন, তারা নন, এই খুনের পেছনে যারা রয়েছেন, প্রত্যেককে চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দাখিল করার করতে হবে।”
গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিজয়নগরের বক্সকালভার্ট রোড দিয়ে অটোরিকশায় যাওয়ার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মারা যান হাদি।

আগামী ২২ কার্যদিবসের মধ্যে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণিা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেছেন, “সরকার ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চেয়েছে। আমরা ৩০ কার্যদিবস সময় দিয়েছিলাম; আর বাকি আছে ২২ দিন। আমরা ওই কার্যদিবস ধরেই আগাইতেছি।”
জাবের বলেন, “এর মধ্যে যদি সরকার এই খুনের বিচারকাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করব।”
জাবের আরও বলেন, “৭ জানুয়ারির মধ্যে শুধু খুন যারা করেছেন, তারা নন, এই খুনের পেছনে যারা রয়েছেন, প্রত্যেককে চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দাখিল করার করতে হবে।”
গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিজয়নগরের বক্সকালভার্ট রোড দিয়ে অটোরিকশায় যাওয়ার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মারা যান হাদি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।