চরচা প্রতিবেদক

ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্টস শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় রাজধানীর ডেমরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার হবিরবাড়ি এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। পেশায় মাদরাসা শিক্ষক ইয়াছিন হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন গোয়েন্দা নজরদারির পর বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ডেমরার সারুলিয়া থেকে তাকে আটক করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছেন, গত ১৮ ডিসেম্বর দিপু হত্যাকাণ্ডের পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন ইয়াছিন। তিনিই প্রথম কারখানার গেটে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উত্তেজিত করেন। তার নেতৃত্বেই দিপুকে কারখানা থেকে টেনে বের করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এমনকি মরদেহ দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে মহাসড়কে আগুন দিয়ে পোড়ানোর মূল পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই মাদরাসা শিক্ষক।
ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ নিয়ে মামলায় মোট ২১ জন গ্রেপ্তার হলেন। তাদের মধ্যে ৯ জন আসামি ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ৩ জন সাক্ষী ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। ১৮ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে দিপু চন্দ্র দাসকে কারখানা থেকে বের করে পিটিয়ে হত্যা করে একদল মানুষ। পরে তার মরদেহ মহাসড়কের ডিভাইডারের গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় পরদিন নিহতের ভাই বাদী হয়ে ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে মামলা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মূলহোতা ইয়াছিনকে রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্টস শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় রাজধানীর ডেমরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার হবিরবাড়ি এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। পেশায় মাদরাসা শিক্ষক ইয়াছিন হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন গোয়েন্দা নজরদারির পর বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ডেমরার সারুলিয়া থেকে তাকে আটক করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছেন, গত ১৮ ডিসেম্বর দিপু হত্যাকাণ্ডের পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন ইয়াছিন। তিনিই প্রথম কারখানার গেটে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উত্তেজিত করেন। তার নেতৃত্বেই দিপুকে কারখানা থেকে টেনে বের করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এমনকি মরদেহ দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে মহাসড়কে আগুন দিয়ে পোড়ানোর মূল পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই মাদরাসা শিক্ষক।
ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ নিয়ে মামলায় মোট ২১ জন গ্রেপ্তার হলেন। তাদের মধ্যে ৯ জন আসামি ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ৩ জন সাক্ষী ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। ১৮ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে দিপু চন্দ্র দাসকে কারখানা থেকে বের করে পিটিয়ে হত্যা করে একদল মানুষ। পরে তার মরদেহ মহাসড়কের ডিভাইডারের গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় পরদিন নিহতের ভাই বাদী হয়ে ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে মামলা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মূলহোতা ইয়াছিনকে রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।