চরচা প্রতিবেদক

বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয়টি রাজনৈতিক দলসহ বাংলাদেশ জাসদ, ঐক্য ন্যাপ ও সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদকে নিয়ে নতুন জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ নামের নতুন রাজনৈতিক জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট মোকাবিলায় একটি নতুন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় যা দেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক শক্তিকে এক ছাতার নিচে আনতে কাজ করবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয়টি দল- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাসদ, ঐক্য ন্যাপ ও সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সমন্বয়ে নতুন এই জোটের নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে বলা হয় আরও আনেক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা চলছে, তারাও খুব শিগগিরিই যোগ দেবে।
কনভেনশনে বর্তমান সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করা হয়। অভিযোগ করা হয়, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির মাধ্যমে দেশের সম্পদ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তি ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে দেশের শ্রমিক, কৃষক, নারী, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের একত্রিত করে একটি প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। জাতীয় কনভেনশনে ঘোষণা দেওয়া হয়, ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ যৌথ নেতৃত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এবং এর কর্মসূচি জনগণের সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত করা হবে।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন। বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়াসহ অন্য শরিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয়টি রাজনৈতিক দলসহ বাংলাদেশ জাসদ, ঐক্য ন্যাপ ও সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদকে নিয়ে নতুন জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ নামের নতুন রাজনৈতিক জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট মোকাবিলায় একটি নতুন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় যা দেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক শক্তিকে এক ছাতার নিচে আনতে কাজ করবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয়টি দল- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাসদ, ঐক্য ন্যাপ ও সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সমন্বয়ে নতুন এই জোটের নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে বলা হয় আরও আনেক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা চলছে, তারাও খুব শিগগিরিই যোগ দেবে।
কনভেনশনে বর্তমান সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করা হয়। অভিযোগ করা হয়, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির মাধ্যমে দেশের সম্পদ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তি ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে দেশের শ্রমিক, কৃষক, নারী, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের একত্রিত করে একটি প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। জাতীয় কনভেনশনে ঘোষণা দেওয়া হয়, ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ যৌথ নেতৃত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এবং এর কর্মসূচি জনগণের সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত করা হবে।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন। বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়াসহ অন্য শরিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।