Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

টাকা নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র সংশোধনের অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ৫৪
টাকা নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র সংশোধনের অভিযোগ

এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্রে মোবাইল নম্বর লিখে রাখা এক পরীক্ষার্থীকে বাসায় ডেকে এনে টাকার বিনিময়ে পুনরায় উত্তরপত্রে লিখিয়ে পাস করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের এক পরীক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক সেকেন্দার আলী রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক।

Advertisement

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর এলাকায় অবস্থিত আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের ছাত্র মেহেদী হাসান এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের উত্তরপত্রে নিজের মোবাইল নম্বর লিখে রেখেছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

খাতা মূল্যায়নের সময় নম্বরটি চোখে পড়লে গত সোমবার সকালে ওই পরীক্ষার্থীকে ফোন করে নিজের বাসায় ডাকেন প্রভাষক সেকেন্দার আলী।

পরীক্ষার্থী মেহেদী জানান, শিক্ষকের বাসায় গিয়ে সে দেখে তাকে দেওয়া হয়েছে ২৫ নম্বর। পরবর্তীতে দুই হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে উত্তরপত্রে পুনরায় লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। উত্তরপত্রের যেসব উত্তর ভুল ছিল তা সংশোধন এবং যেগুলো লেখা হয়নি, সেগুলো খালি জায়গায় লিখে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে তার প্রাপ্ত নম্বর দাঁড়ায় ৫০-এর ওপরে।

পুরো ঘটনাটির সত্যতা গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছে পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান নিজেই।

দেখা করার আগে প্রভাষক সেকেন্দার আলীর সাথে মেহেদীর মোবাইলে কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড পাওয়া যায়। রেকর্ডে শোনা যায়, শিক্ষক সেকেন্দার আলী টাকা নিয়ে তাকে আসার নির্দেশ দেন এবং বিষয়টিকে অভিভাবকদের জানাতে নিষেধ করেন। তখন মেহেদী বলে, “অভিভাবককে না জানিয়ে এত টাকা পাওয়া সম্ভব নয়।” এর জবাবে পরীক্ষক মন্তব্য করেন, একজন ভিক্ষুকে কাছেও ২-১০-২০ হাজার টাকা থাকে। মেহেদী তখন বলে, “স্যার আমরা তো বেকার ছেলে, ভিক্ষুক তো নই।” তখন পরীক্ষক বলেন, “ঠিক আছে, অন্যান্য ক্যান্ডিডেটদেরও নিয়ে আসো।”

পরবর্তীতে ১৪ আগস্ট সকালে মেহেদী তার পাঁচ বন্ধু ইমন, সৌরভ, রুহুল, সোহাগ ও সামিকে নিয়ে রাজশাহীর বিনোদপুর বাজারে যায়। কিছুক্ষণ পর একটি মোটরসাইকেলে চেপে আসেন ওই পরীক্ষক। সেখান থেকে তিনি মেহেদী ও রুহুলকে নিয়ে নিজের বাসায় যান। বাসায় গিয়ে মেহেদীর খাতাটি সহজেই পাওয়া গেলেও তার অন্য বন্ধুদের খাতা পাওয়া যায়নি। উত্তরপত্রে লেখা শেষ হলে পরীক্ষক নিজেই তাদের পুনরায় বিনোদপুর বাজারে রেখে আসেন এবং যাওয়ার আগে মেহেদীর মোবাইল থেকে নিজের নম্বরটি মুছে দেন।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১৪ আগস্ট পরীক্ষক যে মোটরসাইকেলে এসেছিলেন, সেটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ‘রাজশাহী-হ ১৫-২৪০৫’। বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী গাড়িটি সুজন কুমার বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত হলেও পরবর্তীতে তিন হাত বদল হয়ে রফিকুল ইসলাম সেন্টু নামের এক ব্যক্তি এটি কেনেন। সেন্টু প্রভাষক সেকেন্দার আলীর আত্মীয় এবং চারঘাট উপজেলার কাকালকাটি গ্রামের বাসিন্দা। গত ৫ সেপ্টেম্বর সেন্টুর বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ছবি দেখে শিক্ষক সেকেন্দার আলীকে শনাক্ত করেন। সেকেন্দার আলীর মূল বাড়ি চারঘাটের বেলঘরিয়া গ্রামে।

অভিযোগের বিষয়ে সেকেন্দার আলীর বাড়িতে গিয়ে সরাসরি অডিও রেকর্ড ও ছবি দেখালে তিনি শিক্ষার্থীকে বাসায় ডেকে টাকার বিনিময়ে লেখানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

তবে অডিও রেকর্ডে প্রভাষক সেকেন্দার আলীর কণ্ঠ শনাক্ত করে হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হক মণ্ডল বলেন, “সেকেন্দার আলী দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী বোর্ডের খাতা মূল্যায়ন করছেন। এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শামীম আরা চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়াবহ। শিক্ষা বোর্ডে এ ধরনের কোনো অপরাধ বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগের সত্যতা সাপেক্ষে জালিয়াতির সাথে যুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিষয়: শিক্ষার্থীশিক্ষকরাজশাহী
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমা সাত দিন থেকে কমিয়ে দুই দিন করতে সম্মত হয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অংশ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল তেহরান। তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

  • সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দুজনের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগও করেন তিনি। জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি লেখেন, ‘হয়ে গেছে ভাই @OmarAbdullah’।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    আরাঘচি জানান, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল দোহায় রয়েছে। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “পরামর্শ অব্যাহত রাখতে আমার একজন সহকারী বর্তমানে কাতারে রয়েছেন।”

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “কিছুটা ইতিবাচক সম্ভাবনা না থাকলে ফিল্ড মার্শাল কেন দুবার সেখানে যাবেন? সুতরাং হ্যাঁ, অবশ্যই।”