Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

বিশ্বকাপে প্যাট্রিস লুমুম্বার স্মৃতি ফেরাবেন ‘লুমুম্বা ভিয়া’

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ১৪: ৫২
বিশ্বকাপে প্যাট্রিস লুমুম্বার স্মৃতি ফেরাবেন ‘লুমুম্বা ভিয়া’

ফুটবলের দর্শক গ্যালারিতে হাজার হাজার মানুষের মধ্যে একজন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছেন । তিনি নড়ছেন না, আনন্দ–উল্লাসও করছেন না। হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে তিনি, পায়ের তলায় বেদির মতো কিছু একটা। তিনি যেন এক জীবন্ত ভাষ্কর্য।

Advertisement

রাজনৈতিক নেতাদের জনগণকে ভরসা দেওয়ার ভঙ্গির মতোই তার অভিব্যক্তি। সামনে বাড়িয়ে দেওয়া হাতটা নিশ্চল। দাঁড়িয়ে একেবারে পাথরের মূর্তির মতো করে।

তিনি স্যুট পরে মাঠে আসেন। সেই স্যুটও রঙ–বেরঙের। বিচিত্র সব রঙ। দূর থেকে আলাদা করে চোখে পড়ে। চোখে পুরোনো যুগের একটা চশমা। বুক পকেটে স্যুটের রঙের একটা রুমাল। অদ্ভুত সেই দৃশ্যপট।

ফুটবল ম্যাচে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে এই লোক কঙ্গো জাতীয় ফুটবল দলের ‘সুপারফ্যান’। তবে সুপারফ্যান তকমার সঙ্গে যা যা যায়, তার কিছুই করেন না তিনি। চিৎকার–চ্যাঁচামেচি করেন না। সমর্থক হয়েও দলের পক্ষে স্লোগান তোলেন না। ড্রাম বা ঢোলের আওয়াজও তোলেন না। গত আফ্রিকান কাপ অব নেশনসে সবার চোখে পড়েন এই সুপারফ্যান। নিমিষেই হয়ে যান ভাইরাল। এবারের বিশ্বকাপে কঙ্গো দল তাঁকে বানিয়েছে বিশ্বকাপ দলের অফিশিয়াল সদস্য। তিনি মেক্সিকোয় দলের সঙ্গে এসেছিলেনও। কিন্তু ইবোলার মহামারি ছড়িয়ে পড়া দেশ থেকে আসায় নিয়ম অনুযায়ী কোয়ারিন্টিন করতে হয়েছে তাকে। সে কারণে পর্তুগালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি গ্যালারিতে থাকতে পারেননি। কলম্বিয়ার বিপক্ষে কঙ্গোর পরের ম্যাচেই তিনি থাকবেন গ্যালারিতে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই সুপারফ্যানের নাম মিশেল কুকা এমবোলাডিঙ্গা। কঙ্গোবাসী তাকে ডিাকে ‘লুমুম্বা ভিয়া’ বা লুমুম্বার নাতি হিসেবে। কঙ্গোর স্বাধীনতার নায়ক ও প্রথম প্রধানমন্ত্রী প্যাট্রিস লুমুম্বার ভক্ত তিনি। যদিও লুমুম্বার সঙ্গে তার কোনো দূরতম সম্পর্কই নেই। এমবোলাডিঙ্গা নিতান্তই দেশনায়ক প্যাট্রিস লুমুম্বার কড়া ভক্ত।

এমবোলাডিঙ্গা লুমুম্বার সেই মূর্তির অবিকল প্রতিরূপ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন ফুটবল ম্যাচে দর্শক গ্যালারিতে। নীরব অভিব্যক্তিতে তিনি স্মরণ করেন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া কঙ্গোর এই দেশনেতা। কঙ্গোর ইতিহাসের এক মর্মন্তুদ অধ্যায়কে।

কঙ্গো এক সময় বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। লুমুম্বা সেই ঔপনিবেশিকতার বিরোধিতা করেছিলেন। খনিজে সমৃদ্ধ কঙ্গো সব সময়ই ছিল সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের চোখে লোভনীয় লক্ষ্যবস্তু। বেলজিয়ান শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে কঙ্গোর স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লুমুম্বা। দেশ স্বাধীন হলে তিনি হয়েছিলেন কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে লুমুম্বাকে পদচ্যুত করার পরের বছর ১৭ জানুয়ারি তাঁকে বন্দী অবস্থায় হত্যা করা হয়। তাঁর নিজের দেশেরই মানুষ তাঁকে মেরে ফেলেছিল। আবার সেই একই দেশের আরেকজন মানুষ ফুটবলের গ্যালারিতে ওভাবে পাথরমুখে দাঁড়িয়ে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন, স্বাধীনতার নায়কের নেই করুণ পরিণতিকে।

তিনি প্যাট্রিক লুমুম্বার বড় ভক্ত। ছবি: রয়টার্স
তিনি প্যাট্রিক লুমুম্বার বড় ভক্ত। ছবি: রয়টার্স

ক্রিকেট বা ফুটবল—সব খেলাতেই বৈচিত্র্যময় সমর্থকদের পাগলামি নতুন কিছু নয়। তবে মিশেল এমবোলাডিঙ্গা সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন। সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচে যখন তিনি প্রথম এভাবে দাঁড়িয়েছিলেন, শুরুতে অনেকে বুঝতে না পেরে হাসাহাসি করেছিলেন। কিন্তু যখনই তাঁর এই অদ্ভুত আচরণের পেছনের গভীর ইতিহাস ও শ্রদ্ধাবোধের কথা ছড়িয়ে পড়ে, রাতারাতি পরিস্থিতি বদলে যায়। এখন প্রত্যেকে তাঁর সঙ্গে সেলফি তুলতে চান। ম্যাচ শেষে সমর্থকরা তাঁকে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে, ভালোবেসে আগলে রেখে স্টেডিয়াম থেকে বের করে নিয়ে যান।

কঙ্গোর ফুটবলীয় লড়াইয়ের সমান্তরালে গ্যালারিতে মিশেল এমবোলাডিঙ্গার এই জীবন্ত ভাস্কর্য হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কেবলই ফুটবলপ্রেম নয়; এটি ফুটবল, শিল্প আর ইতিহাসের এক অনন্য কোলাজ—কলম্বিয়ার বিপক্ষে কঙ্গোর ম্যাচে বিশ্বকাপেও নতুন এক দৃশ্যপট তৈরি করবেন এমবোলাডিঙ্গা।

বিষয়: কঙ্গো২০২৬ বিশ্বকাপপর্তুগালকলম্বিয়া
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমা সাত দিন থেকে কমিয়ে দুই দিন করতে সম্মত হয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অংশ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল তেহরান। তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

  • সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দুজনের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগও করেন তিনি। জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি লেখেন, ‘হয়ে গেছে ভাই @OmarAbdullah’।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    আরাঘচি জানান, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল দোহায় রয়েছে। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “পরামর্শ অব্যাহত রাখতে আমার একজন সহকারী বর্তমানে কাতারে রয়েছেন।”

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “কিছুটা ইতিবাচক সম্ভাবনা না থাকলে ফিল্ড মার্শাল কেন দুবার সেখানে যাবেন? সুতরাং হ্যাঁ, অবশ্যই।”