চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ ও মারধরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
বিবৃতিতে আসকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, পুলিশের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়ার পরেও একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে বেধড়ক লাঠিপেটা ও কিল-ঘুষি মারার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের আচরণ চরম অপেশাদার মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ন্যূনতম আচরণবিধির পরিপন্থী।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার নামে কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা অযৌক্তিক বলপ্রয়োগ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহিংস আচরণ নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তির নিরাপত্তার অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ সদস্যদের ওপর কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বিশ্বাস করে, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমেই কেবল নাগরিক আস্থা সুদৃঢ় করা সম্ভব।’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ ও মারধরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
বিবৃতিতে আসকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, পুলিশের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়ার পরেও একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে বেধড়ক লাঠিপেটা ও কিল-ঘুষি মারার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের আচরণ চরম অপেশাদার মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ন্যূনতম আচরণবিধির পরিপন্থী।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার নামে কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা অযৌক্তিক বলপ্রয়োগ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহিংস আচরণ নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তির নিরাপত্তার অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ সদস্যদের ওপর কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বিশ্বাস করে, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমেই কেবল নাগরিক আস্থা সুদৃঢ় করা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়।