চরচা প্রতিবেদক

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ করছেন সরকারি কর্মচারীরা।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার সামনে জড়ো হন তারা।
বিক্ষোভরতদের সরিয়ে দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ছুঁড়েছে।
আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে, অন্যথায় তারা বাড়ি ফিরবেন না।
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে থালা-বাটি হাতে ভুখা মিছিল করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি পালন শুরু করেন তারা। পরে মিছিল নিয়ে শাহবাগ এলাকায় পৌঁছান আন্দোলনকারীরা।
সেখানে তারা পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান নিক্ষেপ করে। সেই বাধা উপেক্ষা করেই তারা যমুনার দিকে রওনা হন।
পরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে অবস্থান নেন সরকারি কর্মচারীরা।
সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তারা।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিগত দিনে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে কমিশন গঠন হলেও গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় অবিচার করা হয়েছে।

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ করছেন সরকারি কর্মচারীরা।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার সামনে জড়ো হন তারা।
বিক্ষোভরতদের সরিয়ে দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ছুঁড়েছে।
আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে, অন্যথায় তারা বাড়ি ফিরবেন না।
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে থালা-বাটি হাতে ভুখা মিছিল করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি পালন শুরু করেন তারা। পরে মিছিল নিয়ে শাহবাগ এলাকায় পৌঁছান আন্দোলনকারীরা।
সেখানে তারা পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান নিক্ষেপ করে। সেই বাধা উপেক্ষা করেই তারা যমুনার দিকে রওনা হন।
পরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে অবস্থান নেন সরকারি কর্মচারীরা।
সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তারা।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিগত দিনে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে কমিশন গঠন হলেও গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় অবিচার করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।