চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া এবং জ্বালানির মূল্যের অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষিতে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম সরকারি কর্মচারীদের বাসা থেকে কাজ করতে এবং অন্যান্য জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রকাশিত এক খবর বলছে. থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি কর্মীদের যেখানে সম্ভব রিমোট ওয়ার্ক পদ্ধতিতে চলে যাওয়া উচিত।
এ ছাড়া জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিসগুলোতে এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ভিয়েতনামে জ্বালানি সংকট রোধ এবং অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার অনেক আমদানিকৃত পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করেছে।
পাশাপাশি, জ্বালানির চাহিদা কমাতে কোম্পানিগুলোকে তাদের কর্মীদের যখনই সম্ভব বাসা থেকে কাজ করার অনুমতি দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে। হ্যানয় কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার সীমিত করার এবং এর পরিবর্তে গণপরিবহন, সাইকেল বা কারপুলিং (যৌথভাবে গাড়ি ব্যবহার) বেছে নেওয়ার সুপারিশ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া এবং জ্বালানির মূল্যের অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষিতে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম সরকারি কর্মচারীদের বাসা থেকে কাজ করতে এবং অন্যান্য জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রকাশিত এক খবর বলছে. থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি কর্মীদের যেখানে সম্ভব রিমোট ওয়ার্ক পদ্ধতিতে চলে যাওয়া উচিত।
এ ছাড়া জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিসগুলোতে এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ভিয়েতনামে জ্বালানি সংকট রোধ এবং অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার অনেক আমদানিকৃত পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করেছে।
পাশাপাশি, জ্বালানির চাহিদা কমাতে কোম্পানিগুলোকে তাদের কর্মীদের যখনই সম্ভব বাসা থেকে কাজ করার অনুমতি দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে। হ্যানয় কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার সীমিত করার এবং এর পরিবর্তে গণপরিবহন, সাইকেল বা কারপুলিং (যৌথভাবে গাড়ি ব্যবহার) বেছে নেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।