Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

সুপার ভাগোয়া আনার চাষে সফলতার মুখ দেখেছেন রাজশাহীর শুভ

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১: ৫৭
সুপার ভাগোয়া আনার চাষে সফলতার মুখ দেখেছেন রাজশাহীর শুভ

কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ক্যামেরা মেরামতের কাজ ছেড়ে প্রযুক্তির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছেন রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ শিবলী সাদিক শুভ। নিজের বাড়ির আঙিনায় গড়ে তুলেছেন সুপার ভাগোয়া জাতের আনারের একটি বাণিজ্যিক বাগান। বর্তমানে তার বাগানে প্রায় ৩০০টি আনারগাছ রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনায় কম খরচে বাগান পরিচর্যার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে লাভেরও আশা দেখছেন তিনি।

Advertisement

শিবলী সাদিক শুভ জানান, আগে তিনি টেকনিশিয়ান হিসেবে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ক্যামেরা ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্র মেরামতের কাজ করতেন। ইলেকট্রনিকস বিষয়ে পড়াশোনা থাকায় সেই অভিজ্ঞতা এখন তিনি কৃষিকাজে কাজে লাগাচ্ছেন।

শিবলী সাদিক জানান, শখের বশে ভারত থেকে সুপার ভাগোয়া জাতের একটি আনারগাছ এনে বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। পরে সেই গাছের ভালো ফলন দেখে গুটি কলমের মাধ্যমে আরও কয়েকটি গাছ তৈরি করেন। একসময় একটি গাছে এক কেজির বেশি ফল পাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন, বাণিজ্যিকভাবে এই আনার চাষ লাভজনক হতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বাগান সম্প্রসারণ করেন। বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে তার বাগানে প্রায় ৩০০টি আনারগাছ রয়েছে।

আগামী মাসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে প্রবাসী কার্ডProbashi Card

শুভ বলেন, ক্যামেরার মাধ্যমে অনলাইনে বাগান পর্যবেক্ষণ করায় বছরে প্রায় সাত হাজার টাকায় পুরো বাগানের দেখভাল করা সম্ভব হচ্ছে। তার ভাষায়, মানুষ দিয়ে নিয়মিত পরিচর্যা করাতে গেলে বছরে অন্তত এক লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হতো। সে হিসাবে তিনি প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টাকা সাশ্রয় করতে পেরেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সাদিক জানান, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগান গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। বর্তমানে বাগানের বয়স প্রায় আড়াই বছর। তার মতে, শুরুতে খরচ কিছুটা বেশি হলেও গাছের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলন বাড়বে এবং উৎপাদন ব্যয় কমে আসবে।

শুভর ভাষ্য, বর্তমানে একটি গাছে প্রায় ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে। তবে প্রতিটি গাছ থেকে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার আনার বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু গাছে সাত থেকে আট হাজার টাকার ফলও আসতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আনার সারা বছরই ধাপে ধাপে ফল দেয়। এক দফার ফলন শেষ হলে আরেক দফার ফল আসে। বর্তমানে দুই বিঘারও বেশি জমির বাগানে প্রায় ৩০০টি গাছ রয়েছে। এর মধ্যে ১৮০টি বড় গাছ এবং বাকিগুলো ছোট। গুটি কলমের মাধ্যমে নতুন চারাও তৈরি করা হয়েছে।

আনার চাষে আগ্রহীদের উদ্দেশে শুভ বলেন, অল্প পরিসরে শুরু করে আগে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। সফলতা এলে পরে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। তার মতে, এটি শুধু একটি ব্যবসা নয়, বরং একটি স্বপ্ন। তিনি জানান সকালে ঘুম থেকে উঠে বাগানে না এলে তার ভালো লাগে না। এই পেশায় যে আনন্দ তিনি পান, তা অন্য কোথাও পান না।

দিল্লি ও বেইজিংয়ের মাঝে কাঠমান্ডুকে ভুলে যাচ্ছে নেপালNepal

শিবলী সাদিক শুভ জানান, বর্তমানে আনার ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সাধারণভাবে তিনটি আনারে প্রায় এক কেজি হয়। সে হিসাবে একটি আনারের দাম ১২৫ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে পড়ে। আবার কিছু আনার আকারে বড় হওয়ায় সেগুলোর দাম আরও বেশি। গড় হিসেবে একটি আনারের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকার বেশি হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শুভ বলেন, শুরুতে অনেকেই তার উদ্যোগকে অবাস্তব মনে করেছিলেন। কেউ কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গও করেছিলেন। তবে এখন দেশ-বিদেশ এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ তার বাগান দেখতে আসছেন। অনেকে আনার খাচ্ছেন এবং চাষপদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তার দাবি, আগে বাংলাদেশের মাটিতে আনার চাষ নিয়ে অনেকের সংশয় থাকলেও এখন সেই ধারণা বদলাতে শুরু করেছে।

শুভর মতে, বাংলাদেশে আনার চাষ আগে থেকেই সম্ভব ছিল। কিন্তু উপযুক্ত জাতের অভাব এবং নার্সারিগুলোর সীমাবদ্ধতার কারণে কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হতে পারেননি। তিনি মনে করেন, এই চাষ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়লে একসময় বাংলাদেশে আনার আমদানির প্রয়োজন হবে না, বরং দেশ থেকে আনার রপ্তানিও সম্ভব হবে।

বিষয়: বাণিজ্যসফলবাগানচাষ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমা সাত দিন থেকে কমিয়ে দুই দিন করতে সম্মত হয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অংশ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল তেহরান। তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

  • সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দুজনের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগও করেন তিনি। জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি লেখেন, ‘হয়ে গেছে ভাই @OmarAbdullah’।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    আরাঘচি জানান, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল দোহায় রয়েছে। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “পরামর্শ অব্যাহত রাখতে আমার একজন সহকারী বর্তমানে কাতারে রয়েছেন।”

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “কিছুটা ইতিবাচক সম্ভাবনা না থাকলে ফিল্ড মার্শাল কেন দুবার সেখানে যাবেন? সুতরাং হ্যাঁ, অবশ্যই।”