Advertisement Banner

‘পরামর্শক’ নাহিদের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
‘পরামর্শক’ নাহিদের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ
নাহিদ ইসলাম। ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তার বর্তমান পেশা পরামর্শক এবং এ খাত থেকে বছরে তার আয় ১৬ লাখ টাকা।

প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, নাহিদ ইসলাম এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক পাস। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ বনশ্রী, গোড়ান এলাকার বাসিন্দা হলেও তার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বড় বেরাইদ, বাড্ডা এলাকায়।

হলফনামায় দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, তার নামে কোনো বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ি, কৃষিজমি বা অকৃষিজমি নেই। একই সঙ্গে তার কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নেই এবং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলাও নেই। ব্যাংকে তার ঋণের পরিমাণ সাড়ে তিন লাখ টাকা।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নাহিদ ঢাকা-১১ আসন থেকে লড়াই করবেন।

২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নাহিদের আর্থিক বিবরণীতে বলা হয়েছে, পরামর্শক হিসেবে বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় ছাড়াও তার নিজের কাছে নগদ রয়েছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর কাছে আছে ২ লাখ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা। এছাড়া নিজের অর্জনকালীন অলংকারের মূল্য ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর অর্জনকালীন গহনার মূল্য ১০ লাখ টাকা। ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী রয়েছে ১ লাখ টাকার এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

সব মিলিয়ে হলফনামা অনুযায়ী এনসিপি প্রধান নাহিদ ইসলামের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। গত বছরে তার মোট আয় ছিল ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা এবং সে বছর তিনি আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা।

এদিকে, সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং তা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

সম্পর্কিত