চরচা ডেস্ক

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের উত্তর আন্ডারচর গ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র নিন্দা, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।
আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে এমএসএফ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বরিশালের মুলাদী সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে রেস্তোরাঁ কর্মচারী রাসেল কাজীকে (২৯) তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যান। পরদিন রাতে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আটক করার সময় রাসেল কাজীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে এবং পরে মাঠে নিয়ে গিয়ে অমানুষিকভাবে নির্যাতন করা হয়। পরে মুলাদী সেনা ক্যাম্পে নেওয়া হলে সেখানেই মারা যান রাসেল।
পরিবারের সদস্যরা মুলাদী সেনা ক্যাম্পে রাসেলের খোঁজ নিতে গেলে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয় বলে দাবি করেন তারা। পরবর্তীতে কালকিনি সেনা ক্যাম্প থেকে মরদেহ নিয়ে যেতে বলা হয়। তবে পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে মুলাদী থানার মাধ্যমে সুরতহাল শেষে মরদেহটি বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল আনুমানিক তিনটায় নিহতের বাড়ির সামনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনগণ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। তারা অভিযোগ করেন, যৌথ বাহিনীর সদস্যদের নির্যাতনেই রাসেল কাজীর মৃত্যু হয়েছে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে কালকিনি সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশফানুল হক গণমাধ্যমকে জানান, উত্তর আন্ডারচর এলাকায় পরিচালিত অভিযানটি মুলাদী সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বাধীন ছিল। পার্শ্ববর্তী ক্যাম্প হওয়ায় নিহতের মরদেহ তাদের ক্যাম্পে আনা হয়েছিল এবং ঠিকানা কালকিনি হওয়ায় পরিবারকে লাশ বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে।
এমএসএফ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের শামিল। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা প্রতিটি ব্যক্তির জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব।
সংগঠনটি জোর দাবি জানায়, রাসেল কাজীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত নির্যাতনের অভিযোগ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তদন্তে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের উত্তর আন্ডারচর গ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র নিন্দা, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।
আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে এমএসএফ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বরিশালের মুলাদী সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে রেস্তোরাঁ কর্মচারী রাসেল কাজীকে (২৯) তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যান। পরদিন রাতে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আটক করার সময় রাসেল কাজীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে এবং পরে মাঠে নিয়ে গিয়ে অমানুষিকভাবে নির্যাতন করা হয়। পরে মুলাদী সেনা ক্যাম্পে নেওয়া হলে সেখানেই মারা যান রাসেল।
পরিবারের সদস্যরা মুলাদী সেনা ক্যাম্পে রাসেলের খোঁজ নিতে গেলে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয় বলে দাবি করেন তারা। পরবর্তীতে কালকিনি সেনা ক্যাম্প থেকে মরদেহ নিয়ে যেতে বলা হয়। তবে পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে মুলাদী থানার মাধ্যমে সুরতহাল শেষে মরদেহটি বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল আনুমানিক তিনটায় নিহতের বাড়ির সামনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনগণ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। তারা অভিযোগ করেন, যৌথ বাহিনীর সদস্যদের নির্যাতনেই রাসেল কাজীর মৃত্যু হয়েছে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে কালকিনি সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশফানুল হক গণমাধ্যমকে জানান, উত্তর আন্ডারচর এলাকায় পরিচালিত অভিযানটি মুলাদী সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বাধীন ছিল। পার্শ্ববর্তী ক্যাম্প হওয়ায় নিহতের মরদেহ তাদের ক্যাম্পে আনা হয়েছিল এবং ঠিকানা কালকিনি হওয়ায় পরিবারকে লাশ বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে।
এমএসএফ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের শামিল। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা প্রতিটি ব্যক্তির জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব।
সংগঠনটি জোর দাবি জানায়, রাসেল কাজীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত নির্যাতনের অভিযোগ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তদন্তে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।