নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতরা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ শিক্ষার্থীরা হলো—ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী (১৪), চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা (১৩), সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার (১৩), তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা (১২) ও চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া (১১)।
মাদরাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, পাঁচ শিক্ষার্থীই মাদরাসাটির আবাসিক ছাত্রী। বিকেলে তারা খেলতে তিনতলা ভবনের ছাদে যায়। কিছুক্ষণ পর ছাদ থেকে শব্দ শুনে সেখানে গিয়ে তাদের দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর পাঁচ শিক্ষার্থীকে বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
ইউসুফ আলী বলেন, মাদরাসা ভবনের ছাদের ওপর দিয়ে উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তার রয়েছে। সেখান থেকেই কোনোভাবে তারা বিদ্যুতায়িত হয়ে দগ্ধ হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দগ্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, বিকেলে তারা খেলাধুলার জন্য ছাদে গিয়েছিল। খেলার সময় হঠাৎ তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তারা বলতে পারেনি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন সুলতান মাহমুদ বলেন, পাঁচজনের অবস্থাই গুরুতর।
সুলতান মাহমুদ আরও বলেন, আহতদের মধ্যে জিদনির শরীরে ৮২ শতাংশ, লামিয়ার শরীরে ৫৫ শতাংশ, আতিয়ার শরীরে ৪৫ শতাংশ, সুমাইয়ার শরীরে ১৩ শতাংশ এবং আসিয়ার শরীরে ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।