চরচা ডেস্ক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের উৎসাহ ও সক্রিয় অংশগ্রহণকে ইতিবাচক বলেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এসব বলেন তিনি। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে প্রচুর উৎসাহ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করছি। আশা করি, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত এই পরিবেশ বজায় থাকবে।”
ইইউ ইওএম প্রধান জানান, সারা দেশে অবস্থানরত তাদের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে অনলাইনে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন তারা। কেন্দ্র খোলা, ভোটারদের উপস্থিতি এবং নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতির নিয়মিত আপডেট নেওয়া হচ্ছে।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “পর্যবেক্ষকরা আমাদের জানাচ্ছেন কেন্দ্রগুলো কীভাবে খোলা হয়েছে এবং কত মানুষ ভোট দিচ্ছেন। দেশের যেখানেই আমাদের পর্যবেক্ষকরা আছেন, সেখান থেকেই আমরা তথ্য পাচ্ছি।”
এর আগে সকালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইজাবস। ইইউ মিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা শতভাগ নিরপেক্ষ। আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছি না। আমরা কেবল পর্যবেক্ষণ করছি।”
একটি বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের জন্য ইইউ মিশন দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চল মিলিয়ে ২০০-এর বেশি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে।
প্রধান পর্যবেক্ষক জানান, এখন পর্যন্ত তারা যেসব কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছেন, তার বেশিরভাগই সময়মতো খুলেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে। বাংলাদেশের এবারের নির্বাচনকে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “আমি মনে করি বাংলাদেশের মানুষের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ। এবার তারা একটি অবাধ, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন।।”
ভোটগ্রহণ, গণনা ও ফলাফল তৈরির প্রক্রিয়া মূল্যায়ন শেষে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টায় তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে ইইউ ইওএম।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের উৎসাহ ও সক্রিয় অংশগ্রহণকে ইতিবাচক বলেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এসব বলেন তিনি। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে প্রচুর উৎসাহ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করছি। আশা করি, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত এই পরিবেশ বজায় থাকবে।”
ইইউ ইওএম প্রধান জানান, সারা দেশে অবস্থানরত তাদের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে অনলাইনে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন তারা। কেন্দ্র খোলা, ভোটারদের উপস্থিতি এবং নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতির নিয়মিত আপডেট নেওয়া হচ্ছে।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “পর্যবেক্ষকরা আমাদের জানাচ্ছেন কেন্দ্রগুলো কীভাবে খোলা হয়েছে এবং কত মানুষ ভোট দিচ্ছেন। দেশের যেখানেই আমাদের পর্যবেক্ষকরা আছেন, সেখান থেকেই আমরা তথ্য পাচ্ছি।”
এর আগে সকালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইজাবস। ইইউ মিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা শতভাগ নিরপেক্ষ। আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছি না। আমরা কেবল পর্যবেক্ষণ করছি।”
একটি বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের জন্য ইইউ মিশন দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চল মিলিয়ে ২০০-এর বেশি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে।
প্রধান পর্যবেক্ষক জানান, এখন পর্যন্ত তারা যেসব কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছেন, তার বেশিরভাগই সময়মতো খুলেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে। বাংলাদেশের এবারের নির্বাচনকে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “আমি মনে করি বাংলাদেশের মানুষের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ। এবার তারা একটি অবাধ, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন।।”
ভোটগ্রহণ, গণনা ও ফলাফল তৈরির প্রক্রিয়া মূল্যায়ন শেষে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টায় তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে ইইউ ইওএম।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।