চরচা প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলন বিষয়ক তথ্যচিত্র নির্মাণের বকেয়া বিল আনতে গিয়ে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে (ডিএফপি) হামলার শিকার হয়েছেন মায়ের ডাকের অন্যতম সদস্য ও মানবাধিকার কর্মী মুশফিকুর রহমান জোহানসহ কয়েকজন চলচ্চিত্র নির্মাতা। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ডিএফপির মহাপরিচালক (ডিজি) খালেদা বেগমের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের মুশফিকুর রহমানের দাবি, ডিএফপির চিত্রগ্রাহক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে স্থানীয় ছাত্রদলের ৩০-৪০ জন নেতা-কর্মী তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে মুশফিকুর রহমান জোহানসহ চারজন চলচ্চিত্র নির্মাতা আহত হন। আহতদের মধ্যে দু’জনের মাথায় আঘাত লাগে। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাসায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর রাতেই মুশফিকুর রহমান জোহান ডিএমপির রমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিএফপির জন্য জুলাই আন্দোলন বিষয়ক একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের দায়িত্ব পান তিনি। পরিচালক হিসেবে কাজটি সম্পন্ন করে অনেক আগেই জমা দেওয়া হলেও বকেয়া বিল পরিশোধ করা হয়নি। সোমবার সেই বিল গ্রহণের জন্য তিনি ও আরও কয়েকজন নির্মাতা ডিএফপিতে যান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুর ২টায় তাদের ডাকা হলেও সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। পরে ডিজি উপস্থিত হলে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় চিত্রগ্রাহক মশিউর রহমান তাদের হুমকি দেন এবং প্রাপ্য সরকারি অনুদান না দিতে ডিজির ওপর চাপ প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মুশফিকুর রহমান জোহান বলেন, “আমাদের চলে যেতে বলা হয়। না গেলে মেরে বের করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। আমরা কক্ষ থেকে বের না হলে প্রায় ১০ মিনিট পর মশিউর রহমান স্থানীয় ছাত্রদলের ৩০-৪০ জনকে ডেকে আনেন। তারা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলায় গোলাপ শাহের মাথা ফেটে যায়, আব্দুর রহমানের মুখে আঘাত লাগে এবং তিনিও আহত হন। এ সময় কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা হয় বলেও দাবি করেন তিনি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ডিএমপির রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অভিযুক্ত চিত্রগ্রাহক মো. মশিউর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জুলাই আন্দোলন বিষয়ক তথ্যচিত্র নির্মাণের বকেয়া বিল আনতে গিয়ে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে (ডিএফপি) হামলার শিকার হয়েছেন মায়ের ডাকের অন্যতম সদস্য ও মানবাধিকার কর্মী মুশফিকুর রহমান জোহানসহ কয়েকজন চলচ্চিত্র নির্মাতা। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ডিএফপির মহাপরিচালক (ডিজি) খালেদা বেগমের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের মুশফিকুর রহমানের দাবি, ডিএফপির চিত্রগ্রাহক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে স্থানীয় ছাত্রদলের ৩০-৪০ জন নেতা-কর্মী তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে মুশফিকুর রহমান জোহানসহ চারজন চলচ্চিত্র নির্মাতা আহত হন। আহতদের মধ্যে দু’জনের মাথায় আঘাত লাগে। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাসায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর রাতেই মুশফিকুর রহমান জোহান ডিএমপির রমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিএফপির জন্য জুলাই আন্দোলন বিষয়ক একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের দায়িত্ব পান তিনি। পরিচালক হিসেবে কাজটি সম্পন্ন করে অনেক আগেই জমা দেওয়া হলেও বকেয়া বিল পরিশোধ করা হয়নি। সোমবার সেই বিল গ্রহণের জন্য তিনি ও আরও কয়েকজন নির্মাতা ডিএফপিতে যান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুর ২টায় তাদের ডাকা হলেও সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। পরে ডিজি উপস্থিত হলে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় চিত্রগ্রাহক মশিউর রহমান তাদের হুমকি দেন এবং প্রাপ্য সরকারি অনুদান না দিতে ডিজির ওপর চাপ প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মুশফিকুর রহমান জোহান বলেন, “আমাদের চলে যেতে বলা হয়। না গেলে মেরে বের করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। আমরা কক্ষ থেকে বের না হলে প্রায় ১০ মিনিট পর মশিউর রহমান স্থানীয় ছাত্রদলের ৩০-৪০ জনকে ডেকে আনেন। তারা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলায় গোলাপ শাহের মাথা ফেটে যায়, আব্দুর রহমানের মুখে আঘাত লাগে এবং তিনিও আহত হন। এ সময় কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা হয় বলেও দাবি করেন তিনি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ডিএমপির রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অভিযুক্ত চিত্রগ্রাহক মো. মশিউর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়।