কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। এ সময় কুমিল্লা নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সন্দেহজনক ৬২৪ জনকে আটক করে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান গতকাল বুধবার রাতে জেলাজুড়ে একযোগে এ অভিযান পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর ইউএনবির।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উঠতি বয়সের কিশোরদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে, যা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে জেলার সব থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
লুৎফুর রহমান বলেন, জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি এসব অভিযানে অংশ নেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, আটক ব্যক্তিদের আগে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, দিনব্যাপী অভিযানে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সন্দেহভাজন হিসেবে ২৮ জন তরুণকে আটক করা হয়। বুধবার রাত ১০টার দিকে ওই তরুণদের মধ্যে ২২ জন পুলিশ থানার দরজা ভেঙে স্লোগান দিতে দিতে বেরিয়ে যান। থানার সামনের তরুণ ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে হট্টগোলের একটি ভিডিওও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি করায় সন্দেহভাজন হিসেবে ২৮ জন তরুণকে আটক করা হয়েছিল। তাদের স্বজনেরা একসঙ্গে আসায় কিছুটা ভিড় হয়েছিল।
সাজেদুল ইসলাম আরও বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের মধ্যে ২২ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ছয়জনকে এখনো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।