Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিতে সংসদে বিল পাস

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ৪৭
জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিতে সংসদে বিল পাস

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দায়মুক্তি দিতে সংসদে বিল পাস হয়েছে।

Advertisement

আজ বুধবার বিকেলে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি উত্থাপনের বিষয়ে আপত্তি করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)। তবে তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। উত্থাপনের অনুমতি চান।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করতে বিলটি পাস করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, নতুন মামলা যাতে না হয় তার ব্যবস্থা এবং হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে করার বিধান রেখে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যে অধ্যাদেশ জারি করেছিল, সেটাই সংসদে বিল আকারে পাস হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই ও অগাস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুরক্ষা দিতে এ আইন করা হচ্ছে।

বিলে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা প্রত্যাহার করা হবে। একই সঙ্গে ধারা ৫-এর বিধান সাপেক্ষে এ ধরনের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে নতুন কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা দায়েরও করা যাবে না।

মামলা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সরকারের প্রত্যয়ন লাগবে বলে বিলে বলা হয়েছে। সরকার যদি প্রত্যয়ন করে যে, কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার কারণে দায়ের করা হয়েছে, তাহলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকারনিযুক্ত আইনজীবী সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করবেন।

বিলে বলা হয়েছে, ওই আবেদন দাখিলের পর আদালত আর মামলা বা কার্যধারা সম্পর্কে কোনো পদক্ষেপ নেবে না, তা প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অবিলম্বে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা ক্ষেত্রমতে খালাসপ্রাপ্ত হবেন।

বিলে ব্যতিক্রমও রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন ওই অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা নেবে।

বিলে ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’ এবং ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ আলাদা করে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ বলতে ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলি বোঝানো হয়েছে। আর ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’ বলতে রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সঙ্কীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে বোঝানো হয়েছে।

বিল উত্থাপনের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সঙ্কীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড আর রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে সংঘটিত কার্যাবলির মধ্যে পার্থক্য কে নির্ধারণ করবে।

হাসনাত বলেন, বিলে এই দায়িত্ব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপরই পড়ছে। কিন্তু মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান কাঠামো যদি সরকারনিয়ন্ত্রিত থাকে, তাহলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণের অভিযোগ যখন উঠছে, তখন মানবাধিকার কমিশনও একইভাবে প্রভাবিত হবে না, সেই নিশ্চয়তা নেই।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জুলাই যোদ্ধাদের দাবির প্রেক্ষিতেই এ উদ্যোগ এসেছে এবং জুলাই জাতীয় সনদেও এ বিষয়ে অঙ্গীকার রয়েছে।”

মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ এবং তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নিপীড়ন চালিয়েছিল। প্রতিরোধের মুখে অনেকে প্রাণও হারিয়েছেন। সেই বাস্তবতায় তাদের জন্য আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দরকার বলেই সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করেছিল।”

পরে স্পিকার হাসনাতের আপত্তি ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

আইনটি ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে বলবৎ হয়েছে বলেও গণ্য হবে।

বিষয়: রক্তাক্ত জুলাইঅভ্যুত্থানজাতীয় সংসদত্রয়োদশ সংসদ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমা সাত দিন থেকে কমিয়ে দুই দিন করতে সম্মত হয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অংশ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল তেহরান। তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

  • সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দুজনের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগও করেন তিনি। জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি লেখেন, ‘হয়ে গেছে ভাই @OmarAbdullah’।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    আরাঘচি জানান, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল দোহায় রয়েছে। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “পরামর্শ অব্যাহত রাখতে আমার একজন সহকারী বর্তমানে কাতারে রয়েছেন।”

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “কিছুটা ইতিবাচক সম্ভাবনা না থাকলে ফিল্ড মার্শাল কেন দুবার সেখানে যাবেন? সুতরাং হ্যাঁ, অবশ্যই।”