চরচা প্রতিবেদক

সংসদ ভবন এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংসদ কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
আজ সোমবার সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন অনেক কম হওয়ায় সংসদ এলাকায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।
সংসদ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের চিফ হুইপ বলেন, “পানির সমস্যা বেশি। আমরা গত দুই-তিনদিন ঘোলা পানি পেয়েছি। এ কারণে আমার নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে। ঘোলা পানির সমাধানের জন্য আমরা সরকারকে বলব।”
পানির ঘাটতির চিত্র তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, “এখানে এক কোটি লিটার পানির দরকার কিন্তু এখানে ২৭ লাখ লিটার পানি উৎপাদন হয়। এখানে খুবই সংকট।”
সংসদ সদস্যদের আবাসন, অফিস বরাদ্দ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করে সংসদ কমিটি। এর প্রধান হন চিফ হুইপ। বিরোধী দলের সদস্যদেরও এই কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়।
বৈঠকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবন বরাদ্দের জন্য সংস্কার ও মেরামতকাজের অগ্রগতি, শেরে বাংলা নগরে এমপি হোস্টেলের ১৫৬টি অফিস কক্ষ বরাদ্দের প্রস্তুতি, সংসদ সদস্যদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল সেন্টারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসার পদায়ন, আবাসিক ভবনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার এবং সদস্য ভবন শাখায় প্রয়োজনীয় জনবল পদায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
১০ এপ্রিলের মধ্যে আবাসন বরাদ্দের লক্ষ্য
বৈঠক শেষে চিফ হুইপ জানান, সংসদ সদস্যদের আবাসন বরাদ্দ ১০ এপ্রিলের মধ্যে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বলতেই কিছুই নেই। আবার কিছু কিছু ২০০০ সালে তৈরি হয়েছে, কিছু নষ্ট হয়েছে। সেগুলো ঠিক করেছি আমরা।”
নিরাপত্তা ও আবাসন প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের আশ্বস্ত করতে চান, তারা খুব শিগগিরই বাসায় উঠতে পারবেন।
সংসদ কমিটির বৈঠকে সংসদের হাসপাতাল নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান নূরুল ইসলাম মনি।
তিনি বলেন, “আমরা একটা আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন, লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি চায়।”
এর পাশাপাশি সংসদ সদস্যদের জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে জাতীয় সংসদের মেডিকেল সেন্টারে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিকেল অফিসার পদায়ন বা সংযুক্তির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চিফ হুইপের সভাপতিত্বে হওয়া বৈঠকে কমিটির সদস্য রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. অলি উল্লাহ, মো. সাইফুল আলম এবং মো. আবুল হাসনাত অংশ নেন।

সংসদ ভবন এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংসদ কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
আজ সোমবার সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন অনেক কম হওয়ায় সংসদ এলাকায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।
সংসদ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের চিফ হুইপ বলেন, “পানির সমস্যা বেশি। আমরা গত দুই-তিনদিন ঘোলা পানি পেয়েছি। এ কারণে আমার নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে। ঘোলা পানির সমাধানের জন্য আমরা সরকারকে বলব।”
পানির ঘাটতির চিত্র তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, “এখানে এক কোটি লিটার পানির দরকার কিন্তু এখানে ২৭ লাখ লিটার পানি উৎপাদন হয়। এখানে খুবই সংকট।”
সংসদ সদস্যদের আবাসন, অফিস বরাদ্দ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করে সংসদ কমিটি। এর প্রধান হন চিফ হুইপ। বিরোধী দলের সদস্যদেরও এই কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়।
বৈঠকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবন বরাদ্দের জন্য সংস্কার ও মেরামতকাজের অগ্রগতি, শেরে বাংলা নগরে এমপি হোস্টেলের ১৫৬টি অফিস কক্ষ বরাদ্দের প্রস্তুতি, সংসদ সদস্যদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল সেন্টারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসার পদায়ন, আবাসিক ভবনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার এবং সদস্য ভবন শাখায় প্রয়োজনীয় জনবল পদায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
১০ এপ্রিলের মধ্যে আবাসন বরাদ্দের লক্ষ্য
বৈঠক শেষে চিফ হুইপ জানান, সংসদ সদস্যদের আবাসন বরাদ্দ ১০ এপ্রিলের মধ্যে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বলতেই কিছুই নেই। আবার কিছু কিছু ২০০০ সালে তৈরি হয়েছে, কিছু নষ্ট হয়েছে। সেগুলো ঠিক করেছি আমরা।”
নিরাপত্তা ও আবাসন প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের আশ্বস্ত করতে চান, তারা খুব শিগগিরই বাসায় উঠতে পারবেন।
সংসদ কমিটির বৈঠকে সংসদের হাসপাতাল নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান নূরুল ইসলাম মনি।
তিনি বলেন, “আমরা একটা আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন, লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি চায়।”
এর পাশাপাশি সংসদ সদস্যদের জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে জাতীয় সংসদের মেডিকেল সেন্টারে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিকেল অফিসার পদায়ন বা সংযুক্তির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চিফ হুইপের সভাপতিত্বে হওয়া বৈঠকে কমিটির সদস্য রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. অলি উল্লাহ, মো. সাইফুল আলম এবং মো. আবুল হাসনাত অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়।