চরচা ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইমেইল সাক্ষাৎকারগুলোকে পিআর এজেন্সের কৌশল এবং এগুলোকে গুরুত্ব না দিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার ফেসবুকে এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, “আগামী কয়েক সপ্তাহে হাসিনার আরও কিছু ‘ইমেইল সাক্ষাৎকার’ প্রকাশিত হবে, যা প্রবল উৎসাহে ছড়িয়ে দেবে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও ভারতীয় সহযোগীরা। এর কোনোটাই গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নাই।”
শফিকুল আলম আরও বলেন, “শেখ হাসিনার হাতেও রক্ত লেগে আছে। তিনি হাজারো মানুষকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, প্রায় চার হাজার মানুষকে গুম করেছেন এবং তার ঘনিষ্ঠদের সহায়তায় ব্যাংক লুটপাটে তদারকি করেছেন।”
শফিকুল আলম জানান, সাবেক আইএমএফ প্রধান একজন নারীকে হত্যা করার পরেও বিভিন্ন পিআর এজেন্সি এবং আইনজীবীদের সাহায্যের কারণে তিনি কারাবরণ করেনি।শেখ হাসিনার কাছে অর্থের কোনো অভাব নেই। অর্থের সাহায্যে বৈশ্বিক প্রচারণা চালাতে এবং অভিজাত আইনজীবী দলগুলোকে অর্থায়ন করতে পারছেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইমেইল সাক্ষাৎকারগুলোকে পিআর এজেন্সের কৌশল এবং এগুলোকে গুরুত্ব না দিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার ফেসবুকে এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, “আগামী কয়েক সপ্তাহে হাসিনার আরও কিছু ‘ইমেইল সাক্ষাৎকার’ প্রকাশিত হবে, যা প্রবল উৎসাহে ছড়িয়ে দেবে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও ভারতীয় সহযোগীরা। এর কোনোটাই গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নাই।”
শফিকুল আলম আরও বলেন, “শেখ হাসিনার হাতেও রক্ত লেগে আছে। তিনি হাজারো মানুষকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, প্রায় চার হাজার মানুষকে গুম করেছেন এবং তার ঘনিষ্ঠদের সহায়তায় ব্যাংক লুটপাটে তদারকি করেছেন।”
শফিকুল আলম জানান, সাবেক আইএমএফ প্রধান একজন নারীকে হত্যা করার পরেও বিভিন্ন পিআর এজেন্সি এবং আইনজীবীদের সাহায্যের কারণে তিনি কারাবরণ করেনি।শেখ হাসিনার কাছে অর্থের কোনো অভাব নেই। অর্থের সাহায্যে বৈশ্বিক প্রচারণা চালাতে এবং অভিজাত আইনজীবী দলগুলোকে অর্থায়ন করতে পারছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।