Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ফ্লোর ক্রসিং কী, বিভ্রান্তি কেন

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৫৪
ফ্লোর ক্রসিং কী, বিভ্রান্তি কেন

গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘ফ্লোর ক্রসিং’ শব্দটা আবার আলোচনায় এসেছে। ওই ঘটনায় কোনো কোনো গণমাধ্যম তাদের ফেসবুক পেজে ফটোকার্ড প্রকাশ করে লিখেছে, ‘ফ্লোর ক্রসিং না করে পেছনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী’।

Advertisement

আসলে কী ঘটেছিল সংসদে

গতকাল বুধবার সংসদে আইনমন্ত্রী মো.আসাদুজ্জামান বক্তব্য দিচ্ছিলেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ কক্ষে ঢুকে আইনমন্ত্রীর পেছনের সারিতে ফাঁকা চেয়ারে বসে পড়েন। পরে বক্তব্য শেষ হলে তিনি নিজ আসনে যান। এই ঘটনাকে কেউ কেউ বলছেন, ‘ফ্লোর ক্রস’ এড়ানো। বুধবারও সংসদে এ কথা বলা হয়। প্রশ্ন হলো-কেন সংসদ নেতা আইনমন্ত্রীর সামনে দিয়ে গিয়ে নিজের আসনে বসলেন না?

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৭ বিধিতে, সংসদে সদস্য কর্তৃক পালনীয় বিধি সম্পর্কে বলা আছে। সেখানে একটি উপধারায় বলা আছে, “সভাপতি এবং বক্তৃতারত কোনো সদস্যের মধ্যবর্তী স্থান দিয়া চলাচল করিবেন না।” অর্থাৎ কোনো সংসদ সদস্য যখন বক্তব্য দেন তখন অন্য কেউ বক্তৃতারত সদস্য এবং স্পিকারের মাঝখান দিয়ে চলাচল করবেন না। এই নিয়মটাই মেনেছেন সংসদ নেতা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নবম জাতীয় সংসদেও তৎকালীন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক দিন এরকম করেছিলেন। তখনো কোনো কোনো গণমাধ্যমে একইভাবে সংবাদে শিরোনাম করেছিল, “ফ্লোর ক্রসিং এড়ালেন প্রধানমন্ত্রী।”

ফ্লোর ক্রসিং কী?

সংসদ কক্ষের মেঝেকেই আসলে ফ্লোর বলা হয়। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের রীতি অনুযায়ী সরকারি দল স্পিকারের ডানে আর বিরোধী দল বসে বামে। অর্থাৎ সংসদের মেঝের দুই দিকে দুই দলের এমপিরা বসেন। কেউ যদি নিজ দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেন তাহলে ‘ফ্লোর ক্রস’ হয়। অর্থাৎ দল থেকে পদত্যাগ করলে বা দল পরিবর্তন করলে ফ্লোর ক্রস হয়।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ওয়েবসাইটে বলা আছে, “রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্য পরিবর্তন করার অর্থ আক্ষরিক অর্থেই কক্ষের একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়ার জন্য সংসদের মেঝে অতিক্রম করা বা ‘ফ্লোর ক্রসিং’ করা।”

বাংলাদেশে ফ্লোর ক্রস হলে কী হয়

বাংলাদেশে কেউ যদি ফ্লোর ক্রস করেন তাহলে তার সংসদ সদস্য পদ থাকে না। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে এ বিষয়ে বলা আছে। এই অনুচ্ছেদটি নিয়ে অনেক আলোচনা-বিতর্ক রয়েছে। অনেকেই এই অনুচ্ছেদের সংশোধন চান। তারা বলেন, এই অনুচ্ছেদের কারণে দলীয় প্রধানের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। এর বিপক্ষে যারা আছেন তাদের যুক্তি, দলীয় শৃঙ্খলার জন্য এই নিয়ম জরুরি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে, “কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি- (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।”

তবে বাংলাদেশে কোনো এমপিকে যদি দল থেকে বহিষ্কার করা হয় তবে কিন্তু তার সদস্য পদ যায় না। এরকম নজির অষ্টম ও নবম সংসদে একাধিক আছে।

যুক্তরাজ্যে ফ্লোর ক্রসিং-এর উদাহরণ আছে। বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব উইনস্টন চার্চিল ১৯০৪ সালের ৩১ মে হাউজ অফ কমন্সের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের বেঞ্চ ছেড়ে বিরোধী লিবারেল পার্টির বেঞ্চে গিয়ে বসেন। পরে ১৯২৪ সালে চার্চিল লিবারেল পার্টি ছেড়ে আবার কনজারভেটিভ পার্টিতে ফিরে আসেন এবং পরে দলের নেতৃত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন।

২০০৭ সালে কুয়েন্টিন ডেভিস কনজারভেটিভ দল ত্যাগ করে লেবার পার্টিতে যোগ দেন।

ফ্লোর ক্রসিং নিয়ে সম্প্রতি যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে তা কিন্তু সহজেই মেটানো যায়। সংসদের যে ২৬৭ বিধির কথা আগেই বলা হয়েছে, সেটার ইংরেজি ভার্সনে বলা আছে, “Whilst the House in sitting a member... shall not pass between the Chair and any member who is speaking…।” ফ্লোর ক্রসিং শব্দটা নেই এখানে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদেও নেই।

আর সংসদীয় ব্যবস্খা নিয়ে যারা একটু খোঁজ-খবর রাখেন তারা বিষয়টি জানেন। সুতরাং আক্ষরিক অনুবাদ করে ফ্লোর ক্রসিং শব্দ ব্যবহার করা সঠিক নয়।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীপার্লামেন্টএমপিফেসবুকসংসদ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।