Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

জম্বিদের দুনিয়া বদলে দিয়েছিল যে সিনেমা

সুদীপ্ত সালাম

সুদীপ্ত সালাম

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ৫৯
জম্বিদের দুনিয়া বদলে দিয়েছিল যে সিনেমা

সিনেমার দুনিয়ায় একটি সুনির্দিষ্ট জনরা হলো ‘জম্বি সিনেমা’। জম্বির একটি উপযুক্ত বাংলা অর্থ হতে পারে—জিন্দা লাশ। অনেকগুলো মরদেহ ছুটে বেড়াচ্ছে জীবিতদের চিবিয়ে খেতে। ভাবতেও কেমন জানি লাগে!

Advertisement

অনেকের ভালো লাগে এই জম্বি সিনেমা। অনেকের আবার ভালো লাগেও না। আবার যাদের ভালো লাগে না, তাদের অনেকেও কিন্তু ভীষণ ভয়, উত্তেজনা ও আনন্দ নিয়ে দেখে ফেলেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সিনেমা ‘ট্রেন টু বুসান’। না দেখা থাকলে দেখে ফেলতে পারেন। কারণ এটি প্রচলিত জম্বি সিনেমাগুলোর মতো নয়। রোমহষর্ক ভয় ও অস্বস্তি শেষে এই সিনেমা মানবতার কথা বলে। বলে ভালোবাসার কথা।

২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি দর্শক যে সিনেমাটি দেখেছিল সেটি ইয়োন সাং-হো পরিচালিত এই ‘ট্রেন টু বুসান’। ১ কোটি ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখেছিল। এটি এখনো দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বকালের সর্বাধিক দর্শকসংখ্যা অর্জনকারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ১১তম স্থানে অবস্থানে রয়েছে। সিনেমাটির প্রিমিয়ার হয়েছিল ২০১৬ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে।

স্প্যানিশ সিনেমা ‘হরর এক্সপ্রেস’-এর মূল পোস্টার।
স্প্যানিশ সিনেমা ‘হরর এক্সপ্রেস’-এর মূল পোস্টার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একজন বাবা তার কন্যাকে নিয়ে অন্যান্য যাত্রীর সঙ্গে বুসান যাচ্ছে। বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন গং-ইউ। বুসানে থাকে মেয়ের মা এবং তার প্রাক্তন স্ত্রী। জন্মদিন উপলক্ষে মেয়েকে মায়ের সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতেই এই ট্রেনযাত্রা। যাত্রীবাহী ট্রেনটি হঠাৎ জম্বিদের আক্রমণের শিকার হয়। এরপরই গল্প ঢুকে যায় এক ভয়াবহ গলিতে।

ধারণা করা হয়, ট্রেনে জম্বিদের হামলা নিয়ে করা প্রথম চলচ্চিত্র ‘হরর এক্সপ্রেস’। স্প্যানিশ সিনেমাটি ১৯৭২ সালে মুক্তি  । মূল নাম ছিল ‘প্যানিকো এন এল ট্রান্সসাইবেরিয়ান’ অর্থাৎ ‘প্যানিক অন দ্য ট্রান্সসাইবেরিয়ান’। তারপর অনেক জম্বি সিনেমা হয়েছে। কিন্তু ট্রেনকে ব্যবহার করে সফল কিছু হয়নি। সত্তর দশকের ঐতিহ্যকে গ্রহণ করে জম্বি সিনেমা-ঘরানাকে আমূল বদলে দিয়েছিলেন পরিচালক ইয়োন সাং-হো।  

‘ট্রেন টু বুসান’-এ জম্বিদের ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সাধারণত দেখা যায় মানুষ জম্বিদের হামলা থেকে বাঁচতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যায়। কিন্তু এই সিনেমায় পরিস্থিতি ভিন্ন। আমরা দেখি, মানুষের জন্য জম্বিদের চেয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে মানুষই! জম্বিদের হাত থেকে বাঁচতে মানুষই মানুষকে হত্যা করতে দ্বিধা করে না। সঙ্কট কীভাবে ভদ্রতার লেবাস ছিঁড়ে শ্রেণিবৈষম্য, লোভ, আত্মকেন্দ্রিকতাকে বের করে আনে, তা এই সিনেমায় প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। অবশ্য সবশেষে মানুষেরই জয় হয়।

ট্রেন টু বুসান সিনেমার পোস্টার।
ট্রেন টু বুসান সিনেমার পোস্টার।

মানুষের লড়াই, আত্মোৎসর্গ ও ভালোবাসা সিনেমাটিকে পুরোপুরি জম্বিনির্ভর হতে দেয়নি। সম্ভবত এ জন্যই ব্রিটিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা এডগার রাইট বলেছেন, ‘ট্রেন টু বুসান’ তার দেখা সেরা জম্বি-সিনেমা। নতুন গল্প তো আছেই। একে সোনায় সোহাগা করেছে দুর্দান্ত এডিটিং, শ্যুটিং ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস।

এই সিনেমার বাজেট ছিল ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু তা আয় করেছিল প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। বলা হয়ে থাকে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে আর কোনো সিনেমা বিদেশের মাটিতে এতটা আলোড়ন ফেলতে পারেনি।

‘ট্রেন টু বুসান’ বাঁধভাঙা সফলতা পাওয়ার পরও পরিচালক ইয়োন সাং-হো এই সিনেমার সিক্যুয়েল করতে চাননি। পরে অবশ্য মত পাল্টান। ২০২০ সালে মুক্তি পায় তার ‘ট্রেন টু বুসান প্রেজেন্টস পেনিনসুলা’ নামের সিনেমা। তিনি অবশ্য বলেছেন, এটি ঠিক ‘ট্রেন টু বুসান’-এর সিক্যুয়েল নয়।

দেখুন, দেখে আপনিই নাহয় ঠিক করুন ‘ট্রেন টু বুসান’ কেমন।

ইয়োন সাং-হো। ছবি: আইএমডিবি
ইয়োন সাং-হো। ছবি: আইএমডিবি

দাঁড়ান! দাঁড়ান! আরেকটি কথা বলা হয়নি, ‘ট্রেন টু বুসান’ কিন্তু পরিচালক ইয়োন সাং-হো পরিচালিত প্রথম সিনেমা। এর আগে তিনি জম্বি নিয়েই একটি অ্যানিমেটেড শর্টফিল্ম তৈরি করেছিলেন। ‘সিউল স্টেশন’ নামের ওই শর্টফিল্মটিকে বলা হয় ‘ট্রেন টু বুসান’-এর প্রিক্যুয়েল।       

তথ্যসূত্র: ক্রিপি ক্যাটালগ ও মিডিয়াম

বিষয়: সিনেমাদক্ষিণ কোরিয়াকান চলচ্চিত্র উৎসববাজেটচলচ্চিত্র
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।