Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

তরুণেরা কৃষিতে আগ্রহী নয়, সমাধান কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৫৬
তরুণেরা কৃষিতে আগ্রহী নয়, সমাধান কী?

চলতি বছরের জানুয়ারিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনুদান কর্মসূচি চালু করেছে মালয়েশিয়া। তবে এই কর্মসূচি সাধারণ প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য নয়, দেশের কৃষিখাতের জন্য কর্মসূচিটি গ্রহণ করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো, আরও বেশি তরুণকে কৃষিখাতে আগ্রহী করে তোলা। তবে মালয়েশিয়াই একমাত্র দেশ নয়, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডেও একই ধরনের কৃষিভিত্তিক কর্মসূচি রয়েছে।

Advertisement

বিগত কয়েক বছর ধরে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নীতিনির্ধারকরা কৃষির চেয়ে শিল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিলেন। তাদের সামনে এখন ভিন্ন সমস্যা। কৃষিখাতে কর্মরত মানুষরা ক্রমে বয়স্ক হয়ে পড়ছেন। মালয়েশিয়ায় কৃষকদের গড় বয়স ৬০ বছর, ফিলিপাইনে ৫৬। সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামগ্রিক কৃষিশ্রমিকদের এক-তৃতীয়াংশের বয়স ৫৫ বা তার বেশি, এক দশক আগেও যা এক-পঞ্চমাংশেরও কম ছিল।

কিছু দিক থেকে এটি ইতিবাচক। শহরে ভালো কাজ পাওয়ায় অনেক তরুণ গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে। আর গ্রামে যারা থেকে গেছে, তারা আগের তুলনায় বেশি দিন বাঁচছে। কারণ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার মান আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে।

এরপরও গ্রামীণ জনসংখ্যার বার্ধক্য কৃষিখাতকে হুমকির মুখে ফেলছে, যা এখনও দেশভেদে জিডিপির ৯ থেকে ২২ শতাংশ যোগান দেয় এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় ৩০ শতাংশ কর্মসংস্থান জোগায়। কৃষকদের বয়স যত বাড়তে থাকে, ততই তাদের উৎপাদনশীলতা কমতে থাকে। শুধু শারীরিক সমস্যা না, বয়স্ক কৃষকেরা নতুন বীজের জাত বা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে আগ্রহী নন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকটি দেশের সরকার আশঙ্কা করছে, এর ফলে খাদ্য সরবরাহ বিপন্ন হতে পারে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থনীতিবিদ আইকো কিক্কাওয়া বলেন, “দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আপাতত খাদ্যের ঘাটতি নেই। তবে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যযুদ্ধের যুগে ভবিষ্যতের জন্য খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।”

বেশিরভাগ বয়স্ক কৃষকেরা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে আগ্রহী নন। ছবি: রয়টার্স
বেশিরভাগ বয়স্ক কৃষকেরা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে আগ্রহী নন। ছবি: রয়টার্স

এর একটি সম্ভাব্য সমাধান হলো, কৃষকদের কাছে প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা এবং বয়স বাড়লেও তারা যাতে উৎপাদনশীল থাকতে পারেন সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৃষকেরা সাধারণত এত ছোট জমিতে কাজ করেন যে আধুনিক প্রযুক্তি কেনার জন্য পুঁজি জোগাড় করা কঠিন। ঋণসুবিধা বৃদ্ধি বা যন্ত্র ভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

সরকার তরুণদের আবার কৃষিমুখী করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এটা বাস্তবায়ন করা অনেক কঠিন হবে। শহুরে চাকরিতে শুধু উচ্চ বেতনই না সামাজিক মর্যাদাও আছে। এই কাজ ছেড়ে গ্রামে ফিরে কাদামাটি মাখা অনেকের কাছেই যুক্তিসংগতও নয়। এ ছাড়া কৃষকরাই চান না, তাদের সন্তান কৃষিকাজ করুক। ২০২০ সালে ফিলিপাইনের ধানচাষীদের ওপর করা এক জরিপে দেখা যায়, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কৃষক চান না তাদের সন্তানরা তাদের পেশা অনুসরণ করুক।

কৃষিকে আরও আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য খামারের পরিধি বড় হওয়া প্রয়োজন। যাতে বেশি পরিমাণে উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়, যন্ত্রপাতির বিনিয়োগকে লাভজনক করা সম্ভব হয় এবং উচ্চতর আয় নিশ্চিত করা যায়। জাপানে অনেক ছোট ছোট জমি একত্রীকরণ করে আংশিকভাবে এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে বলে এডিবির গবেষণায় উঠে এসেছে।

জাপানের এই মডেল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োগ করা সহজ হবে না। কারণ এখানে জমির মালিকানা শুরু থেকেই বেশি খণ্ডিত। ক্ষুদ্র পুঁজির কৃষকরা অধিকাংশ সময় দুর্বল সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে তাদের জমি আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।

জন্মহার হ্রাস এবং আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে, কৃষি ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য শিল্পও ভবিষ্যতে একই ধরনের জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বয়স্ক কৃষকদের সমস্যা সরকারগুলো কীভাবে সামাল দেয়, তা থেকেই বোঝা যাবে বৃহত্তর এই রূপান্তর তারা কতটা দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবে।

বিষয়: এডিবিকৃষি খাতজাপানকৃষিকৃষকফিলিপাইনথাইল্যান্ডদ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনমালয়েশিয়াইন্দোনেশিয়াএশিয়া
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।