বাংলাদেশের বাজারে নতুন করে স্যামসাং রেফ্রিজারেটরের বিস্তৃত রেঞ্জ এনেছে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ ও ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড। নতুন এই রেঞ্জে ছয়টি মডেল আছে, যেগুলোর ধারণক্ষমতা ২৭৫ লিটার থেকে ৭০০ লিটার পর্যন্ত।
এ উপলক্ষে রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় ‘স্যামসাং–ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স পার্টনার্স মিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্যামসাং ও ফেয়ার গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়িক অংশীদাররা অংশ নেন।
নতুন রেফ্রিজারেটরগুলোর মডেল হলো–আরএস৭২, আরএস৭৪, আরটি৪৭, আরটি৩৭, আরটি৩৪ ও আরটি২৯ মডেল। এগুলোর ধারণক্ষমতা যথাক্রমে ৭০০, ৬৭৬, ৪৬৫, ৩৪৫, ৩২৪ ও ২৭৫ লিটার।
এর মধ্যে আরটি২৯, আরটি৩৪ ও আরটি৩৭ মডেল টপ মাউন্ট ফ্রিজার হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। বড় পরিবারের জন্য বেশি সংরক্ষণ সুবিধা দেবে আরটি৪৭ মডেল। অন্যদিকে আরএস৭২ ও আরএস৭৪ মডেলের সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটরে রয়েছে স্যামসাংয়ের স্পেসম্যাক প্রযুক্তি। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রেফ্রিজারেটরের বাইরের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে না বাড়িয়েই ভেতরে বেশি জায়গা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায়।
স্যামসাংয়ের দাবি, নতুন রেফ্রিজারেটর রেঞ্জে উন্নত শীতলীকরণ প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কার্যক্ষমতা ও আধুনিক নকশার সমন্বয় করা হয়েছে। এতে রয়েছে ডিজিটাল ইনভার্টার প্রযুক্তি ও ব্যবহারবান্ধব সংরক্ষণ সুবিধা। নির্বাচিত মডেলে টুইন কুলিং ও ফাইভ-ইন-ওয়ান কনভার্টিবল মোড রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ ও ফ্রিজারের জায়গা ব্যবহারে পরিবর্তন আনা যায়।
প্রযুক্তির পাশাপাশি নতুন রেঞ্জের নকশা ও সৌন্দর্যের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘দ্য ক্ল্যাসিকস আর ব্যাক উইথ টাইমলেস স্টাইল’ প্রতিপাদ্যে রেফ্রিজারেটরগুলোতে বিভিন্ন রং ও ফিনিশ রাখা হয়েছে। নির্বাচিত মডেলে পেবল ব্লু, ব্ল্যাক ইনক্স ও ইজি ক্লিন স্টিল ফিনিশ পাওয়া যাবে।
অনুষ্ঠানে ব্যবসায়িক অংশীদারদের স্বাগত জানিয়ে ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব বাংলাদেশে স্যামসাংয়ের ব্যবসার অগ্রযাত্রায় তাদের সহযোগিতা ও অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাং মিন জাং বলেন, স্যামসাং সবসময় উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে এবং বাংলাদেশের বাজারের সম্ভাবনাকে আরও কাজে লাগাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেয়ার গ্রুপের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুতাসসিম দাইয়ান, স্যামসাংয়ের পরিচালক ও হেড অব সিই বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর, ফেয়ার গ্রুপের চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন, ফেয়ার গ্রুপের হেড অব মার্কেটিং জে এম তসলিম কবীর এবং ফেয়ার ইলেকট্রনিক্সের হেড অব বিজনেস মশিউর রহমান।